০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ উবায়দুর রহমান সাহেল। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর তিনি প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপজেলা পরিষদ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীবৃন্দ।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
দামুড়হুদা প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য
মোহাম্মদ উবায়দুর রহমান সাহেল তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড একটি জাতির প্রাণ। অপসংস্কৃতি রোধ এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম ও নিজস্ব ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে এ ধরণের আয়োজনের বিকল্প নেই। দামুড়হুদার মাটি ও মানুষের যে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন করে জেগে উঠেছে।” তিনি নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য অংশগুলো হলো:
দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য: স্থানীয় শিশু শিল্পীদের সম্মিলিত নৃত্য দর্শকদের মুগ্ধ করে।
লোকজ সংগীত: এলাকার প্রবীণ শিল্পীদের পরিবেশনায় লালন গীতি ও পল্লীগীতি উপস্থিত দর্শকদের শেকড়ের আমেজ দেয়।
কবিতা আবৃত্তি: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করা হয়।
নাটিকা: বর্তমান সময়ের সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক একটি ক্ষুদ্র নাটিকা প্রদর্শন করা হয়।

দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠের বিশাল প্রাঙ্গণ বিকেল থেকেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। পরিবার-পরিজন নিয়ে শহর ও গ্রামের মানুষ এই আনন্দঘন মুহূর্ত উপভোগ করতে সমবেত হন। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

রাত অবধি চলা এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাটি দামুড়হুদাবাসীর জন্য ছিল এক পরম প্রাপ্তি। এ ধরণের আয়োজন সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে এবং সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় আপ টু ড্রাই ক্লিনার্স এন্ড হোম সার্ভিস শোরুম উদ্বোধন

দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:২০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ উবায়দুর রহমান সাহেল। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর তিনি প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপজেলা পরিষদ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীবৃন্দ।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
দামুড়হুদা প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য
মোহাম্মদ উবায়দুর রহমান সাহেল তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড একটি জাতির প্রাণ। অপসংস্কৃতি রোধ এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম ও নিজস্ব ঐতিহ্য ছড়িয়ে দিতে এ ধরণের আয়োজনের বিকল্প নেই। দামুড়হুদার মাটি ও মানুষের যে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, তা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন করে জেগে উঠেছে।” তিনি নিয়মিত এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য অংশগুলো হলো:
দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য: স্থানীয় শিশু শিল্পীদের সম্মিলিত নৃত্য দর্শকদের মুগ্ধ করে।
লোকজ সংগীত: এলাকার প্রবীণ শিল্পীদের পরিবেশনায় লালন গীতি ও পল্লীগীতি উপস্থিত দর্শকদের শেকড়ের আমেজ দেয়।
কবিতা আবৃত্তি: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করা হয়।
নাটিকা: বর্তমান সময়ের সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক একটি ক্ষুদ্র নাটিকা প্রদর্শন করা হয়।

দামুড়হুদা স্টেডিয়াম মাঠের বিশাল প্রাঙ্গণ বিকেল থেকেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। পরিবার-পরিজন নিয়ে শহর ও গ্রামের মানুষ এই আনন্দঘন মুহূর্ত উপভোগ করতে সমবেত হন। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

রাত অবধি চলা এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাটি দামুড়হুদাবাসীর জন্য ছিল এক পরম প্রাপ্তি। এ ধরণের আয়োজন সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে এবং সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ।