০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজা ভূখণ্ড সম্পূর্ণ অবরোধের ঘোষণা ইসরায়েলের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩
  • ১২৩ Time View

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ত বলেছেন, কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেবে এবং খাদ্য ও জ্বালানি প্রবেশে বাধা দেবে।

গাজা বর্তমানে ২০০৭ সালে আরোপিত আকাশ, স্থল ও সমুদ্র অবরোধের মধ্যে রয়েছে। ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা বিদ্যুৎ ও পানির স্বল্পতার মধ্যে রয়েছেন। সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধের অভাবও রয়েছে। চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারও চালাতে পারেন না।

শনিবার ভোরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস আর ইসরায়েলের সেনাদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। হঠাৎই হামলা চালিয়ে বসে হামাস। জবাবে ইসরায়েলও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের সাত শতাধিক নাগরিকের প্রাণহানি হয়েছে, যার মধ্যে দক্ষিণ ইসরায়েলে একটি সংগীত উৎসবেই নিহত হয়েছেন ২৫০ জনের বেশি। অন্যদিকে ফিলিস্তিন বলছে, ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় ৫১১ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছে এখন পর্যন্ত।

শনিবারের হামলার পর রোববার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা যুদ্ধ পরিস্থিতির ঘোষণা দেয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করতে বিমান বহনকারী একটি জাহাজ ইসরায়েলের কাছে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘ এবং কঠিন যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গাজায় বোমা হামলা চালাচ্ছে। সেখানে স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা।

গাজার আকাশ এবং সমুদ্রপথ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ইসরায়েল। তাদের সীমান্ত দিয়ে কারা যাতায়াত করবে এবং কী ধরনের পণ্য যাবে, সেটাও ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। একইভাবে গাজার সাথে সীমান্ত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে মিশর।

সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :
এখন আলোচনায়

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

গাজা ভূখণ্ড সম্পূর্ণ অবরোধের ঘোষণা ইসরায়েলের

আপডেট সময় : ১০:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ত বলেছেন, কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেবে এবং খাদ্য ও জ্বালানি প্রবেশে বাধা দেবে।

গাজা বর্তমানে ২০০৭ সালে আরোপিত আকাশ, স্থল ও সমুদ্র অবরোধের মধ্যে রয়েছে। ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা বিদ্যুৎ ও পানির স্বল্পতার মধ্যে রয়েছেন। সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধের অভাবও রয়েছে। চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারও চালাতে পারেন না।

শনিবার ভোরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস আর ইসরায়েলের সেনাদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। হঠাৎই হামলা চালিয়ে বসে হামাস। জবাবে ইসরায়েলও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের সাত শতাধিক নাগরিকের প্রাণহানি হয়েছে, যার মধ্যে দক্ষিণ ইসরায়েলে একটি সংগীত উৎসবেই নিহত হয়েছেন ২৫০ জনের বেশি। অন্যদিকে ফিলিস্তিন বলছে, ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় ৫১১ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছে এখন পর্যন্ত।

শনিবারের হামলার পর রোববার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা যুদ্ধ পরিস্থিতির ঘোষণা দেয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করতে বিমান বহনকারী একটি জাহাজ ইসরায়েলের কাছে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘ এবং কঠিন যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গাজায় বোমা হামলা চালাচ্ছে। সেখানে স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা।

গাজার আকাশ এবং সমুদ্রপথ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ইসরায়েল। তাদের সীমান্ত দিয়ে কারা যাতায়াত করবে এবং কী ধরনের পণ্য যাবে, সেটাও ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। একইভাবে গাজার সাথে সীমান্ত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে মিশর।

সূত্র: আল-জাজিরা