০৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থাভাবে বন্ধ দামুড়হুদার মনজুরার ক্যান্সারের চিকিৎসা, , সহযোগিতার আকুতি

??????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা ইউনিয়নের হোগলডাঙ্গা গ্রামের মনজুরা খাতুন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা ও নিয়মিত ওষুধের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে তাঁর চিকিৎসা।

মনজুরা খাতুনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তাঁর ছেলে। তিনি একটি ছোট চায়ের দোকান চালিয়ে কোনো রকমে সংসারের খরচ বহন করেন। সংসারের দৈনন্দিন ব্যয়ের পাশাপাশি মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ জোগাতে গিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন তিনি।

ছোট চায়ের দোকানের সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালানোর পর মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা তাঁর পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে অর্থাভাবে মনজুরা খাতুনের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

অসুস্থ মনজুরা খাতুন বলেন, “আমি বাঁচতে চাই।”

তাঁর পরিবার জানায়, চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় সমাজের সামর্থ্যবান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবারটি।

পরিবারের সদস্যদের আশা, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও মনজুরা খাতুনের চিকিৎসা পুনরায় শুরু করতে সহায়তা করবে। তাঁকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

অর্থাভাবে বন্ধ দামুড়হুদার মনজুরার ক্যান্সারের চিকিৎসা, , সহযোগিতার আকুতি

আপডেট সময় : ০৩:১১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা ইউনিয়নের হোগলডাঙ্গা গ্রামের মনজুরা খাতুন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা ও নিয়মিত ওষুধের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে তাঁর চিকিৎসা।

মনজুরা খাতুনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তাঁর ছেলে। তিনি একটি ছোট চায়ের দোকান চালিয়ে কোনো রকমে সংসারের খরচ বহন করেন। সংসারের দৈনন্দিন ব্যয়ের পাশাপাশি মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ জোগাতে গিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন তিনি।

ছোট চায়ের দোকানের সামান্য আয় দিয়ে সংসার চালানোর পর মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা তাঁর পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে অর্থাভাবে মনজুরা খাতুনের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

অসুস্থ মনজুরা খাতুন বলেন, “আমি বাঁচতে চাই।”

তাঁর পরিবার জানায়, চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় সমাজের সামর্থ্যবান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবারটি।

পরিবারের সদস্যদের আশা, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও মনজুরা খাতুনের চিকিৎসা পুনরায় শুরু করতে সহায়তা করবে। তাঁকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।