
বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, মেধা ও যোগ্যতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলায় লিখিত পরীক্ষা সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গত ১৮ এপ্রিল থেকে জেলায় প্রাথমিক বাছাই ও শারীরিক সক্ষমতা যাচাই কার্যক্রম শুরু হয়। এসব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে লিখিত পরীক্ষায় মোট ২৩৯ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন।
পরীক্ষা শেষে প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পুলিশ-এর চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। তিনি বলেন, কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত। শুধুমাত্র মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থীরা এ পেশায় যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রার্থী বা তাদের পরিবার যেন দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করেন।
নিয়োগ প্রক্রিয়া তদারকির জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও পার্শ্ববর্তী জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি বোর্ড দায়িত্ব পালন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এআইজি (ডেভেলপমেন্ট) মো. ইব্রাহিম খলিল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পিএম-৩) বি.এম. শাহরিয়ার আব্দুল্লাহ বিন ফরিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মেহেরপুরের মোহাম্মদ আতিকুল হক, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোসফেকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে মিনহাজ-উল-ইসলাম, জামাল আল নাসের, মোস্তাফিজুর রহমান এবং সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস) অনির্বাণ দাসসহ অন্যান্য সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
পুরো পরীক্ষা কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। সফলভাবে পরীক্ষা আয়োজন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান পুলিশ সুপার।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লিখিত পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রকাশ করা হবে এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হবে।