
চুয়াডাঙ্গা জেলায় মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৩ মার্চ ২০২৬) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানাাধীন কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ১০০ পিস প্যাথেড্রিন ইনজেকশন (অ্যাম্পুল) উদ্ধার করেছে।
অভিযানে মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চিহ্নিত মাদক কারবারি পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকাল ২টা ২০ মিনিটে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল দামুড়হুদা থানাধীন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের পিরপুরকুল্লা গ্রামের আরামডাঙ্গা মাঠ সংলগ্ন পাকা সড়কে অবস্থান নেয়।
অভিযান পরিচালনাকারী দলে ছিলেন এসআই (নিঃ) সৌমিত্র সাহা, এএসআই (নিঃ) মোঃ মোত্তালেব হোসেনসহ জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা।
ডিবি পুলিশের দলটি অবস্থানকালে এক ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলযোগে আসতে দেখে থামার সংকেত দেয়। এসময় মোটরসাইকেল চালক মোঃ সোহেল মন্ডল (২৪), পিতা- মোঃ ছলেমান আলী, সাং- পিরপুরকুল্লা, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলটি রাস্তায় ফেলে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে মোটরসাইকেলটি তল্লাশি করে বিশেষভাবে বাঁধানো একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ১০০ পিস প্যাথেড্রিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
পলাতক আসামি মোঃ সোহেল মন্ডলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জব্দকৃত মোটরসাইকেলটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুয়াডাঙ্গাকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের ‘জিরো টলারেন্স’ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।