৬ ডিসেম্বর বোয়ালমারী উপজেলায় বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু তাঁর নিজ বাড়িতে অনুসারীদের নিয়ে এক ব্যাপক আলোচনা সভা আয়োজন করেন।
সভায় ঝুনু বলেন, “এই নমিনেশন অবৈধ। আমরা জাতীয়তাবাদীর কর্মী, কেউ ধানের শীষের পক্ষে কাজ করব না।”
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মজিবর রহমান বাবু, মো. জাহাঙ্গীর আলম মুকুল মিয়া, মো. আবুল কালাম আজাদ, এবং মো. শাহীন আনোয়ার।
ঝুনুর এই মন্তব্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় নেতা জানান, দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তাঁরা দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখবেন।
এছাড়া, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম এই বক্তব্যের প্রতিবাদে বলেন,
“বিএনপির মনোনয়ন অনেকেই চাইতে পারে, কিন্তু মনোনয়ন পাবে একজন। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান মনোনয়ন দিয়েছেন। সেখানে মনোনয়ন অবৈধ হয় কিভাবে?”
তিনি আরও বলেন, দলের সিদ্ধান্ত ও শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা সর্বাগ্রে গ্রহণযোগ্য এবং সকল কর্মীকে তা মেনে চলতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যখন কাউকে মনোনয়ন দেন, তখন তা রাজনৈতিকভাবে বৈধ হয়। তবে প্রার্থীর বৈধতা নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন, যারা প্রার্থী কাগজপত্র, আইনি যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, মনোনয়ন বিতর্ক থাকলেও তারা দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা ও আনুগত্য বজায় রাখবেন। এক কর্মী বলেন, “আমরা বিএনপি করি, ধানের শীষের প্রতি আস্থা রাখবো ইনশাআল্লাহ।”
বোয়ালমারী উপজেলায় মনোনয়নকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনার মাত্রা তীব্র, এবং সকলের নজর এখন নির্বাচন প্রক্রিয়া ও দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে।