শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুই দোকান মালিককে জরিমানা, এক দোকান পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ চুয়াডাঙ্গায় নিখোঁজের ১৫ দিন পর আখক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ দুই মাদক কারবারি আটক মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে গাছের সাথে ধাক্কায় দশম শ্রেণির ছাত্র নিহত, আরেক বন্ধু আহত সেনাবাহিনীর জন্য সর্বাধুনিক অস্ত্র কিনছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আনসার ভিডিপির উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাওয়ারট্রলির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত, এক নারী আহত চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানা

রাজধানীতে দিনদুপুরে মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, ৪ সহপাঠী আটক

রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকায় ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। নিহত কিশোরীর নাম আনুশকাহ নূর আমিন। সে মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ছাত্রী। এ ঘটনায় চার সহপাঠীকে আটক করেছে কলাবাগান থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে দিহানের বাসায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু আনুশকাহকে ধানমন্ডির মডার্ণ আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে বিকালে হাসপাতালে আনুশকাহ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ওই স্কুলছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, দিনদুপুরে ডেকে নিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর আনুশকাহ শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো। তার পেটের ডান পাশে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে কলাবাগান থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সকাল ৯টার দিকে মেয়েটিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে ফোন করে একটি বাসায় ডেকে নেয় চার বন্ধু। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে মেয়েটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে বন্ধুরাই তাকে প্রথম আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসকরা মেয়েটির অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়। পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই চার বন্ধুকে আটক করে। পরে পুলিশ মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, মেয়েটিকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন সে নিস্তেজ অবস্থায় ছিল। অনেক বেশি রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছিল না। এছাড়া মেয়েটির শরীরের বাম অংশেও জখমের চিহ্ন দেখা গেছে। মেয়েটি যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

কিশোরীর চাচা বলেন, সকালে এক বান্ধবীর জন্মদিনের কথা বলে অন্য এক বান্ধবী তাকে কলাবাগানের এক বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তার বন্ধুরা তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। একপর্যায়ে তারা তাকে হত্যা করে। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশ এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে।

কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) ঠাকুর দাস বলেন, ওই ছাত্রীর বাসা ধানমন্ডির সোবহানবাগে। বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কলাবাগানের ডলফিন গলিতে দিহানের বাসায় যায় ওই ছাত্রী। দিহানের বাসা তখন ফাঁকা ছিল। সেখানে ওই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহান তার তিন বন্ধুকে ফোন করে ডেকে আনে। পরে তারা অসুস্থ ছাত্রীকে চিকিৎসার জন্য মডার্ণ আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বিকালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার রাতে কলাবাগান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি

Please Share This Post in Your Social Media

১৫

© All rights reserved © 2020 dailyamaderchuadanga.com