বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ দুই মাদক কারবারি আটক মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে গাছের সাথে ধাক্কায় দশম শ্রেণির ছাত্র নিহত, আরেক বন্ধু আহত সেনাবাহিনীর জন্য সর্বাধুনিক অস্ত্র কিনছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আনসার ভিডিপির উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাওয়ারট্রলির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত, এক নারী আহত চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় গাঁজা গাছসহ হাতিকাটার মুছাহক মন্ডল আটক গাংনীতে মুদিব্যবসায়ীর আত্মহত্যা ব্র্যাকের আয়োজনে নাগরীক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

৭ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক বিশাল সমাবেশে ভাষণ দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পথ রচনা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটিকে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভাষণটিকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে যেসব তথ্যভিত্তিক ঐতিহ্য রয়েছে সেগুলোকে সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্ম যাতে তা থেকে উপকৃত হতে পারে সে লক্ষ্যেই এ তালিকা প্রণয়ন করে ইউনেস্কো।

১৯৭১ সালে ৭ মার্চ এসেছিল এক ধারাবাহিক রাজনৈতিক আন্দোলনের পটভূমিতে। পাকিস্তানের চব্বিশ বছরের ইতিহাস ছিলো শোষণ-বঞ্চনার। দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কৃত্রিম রাষ্ট্রটি শুরু থেকেই ছিল বাঙালিবৈরি। বাঙালি তার অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে গেছে অব্যাহতভাবে। এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে ওঠেন বাঙ্গালি জাতির আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক। সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ের পরই এটা স্পষ্ট হচ্ছিল যে, পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না। তারা নানান কৌশলে কালক্ষেপণ করছিল আর বাঙালির বিরুদ্ধে হামলে পড়ার জন্য সামরিক প্রস্তুতি গ্রহণ করছিল।

বঙ্গবন্ধু জাতিকে স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। মাত্র ১৮/১৯ মিনিটের এ ভাষণে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে দিক নির্দেশনা দেন তিনি। তার ওই ভাষণের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠে স্বাধীনতার ঘোষণাসহ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণের সব দিকনির্দেশনা।

৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে।

এই ভাষণটি আজও আমাদের জাতীয় জীবনের অনুপ্রেরণা। বঙ্গবন্ধু নেই, কিন্তু তার দিকনির্দেশনা আজও রয়ে গেছে। আমাদের জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে এই ভাষণটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পথ হারানোর ক্ষণে কিংবা দেশবিরোধী শত্রুদের ষড়যন্ত্র আর আস্ফালনে দিশেহারা মুহূর্তে যেন বেজে ওঠে সেই বজ্রকণ্ঠ ‘আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি!’

 

বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান
ইয়াসির আরাফাত মিলন
সদস্য
ধর্মবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

Please Share This Post in Your Social Media

১২

© All rights reserved © 2020 dailyamaderchuadanga.com