সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
কোটচাঁদপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে প্রশ্ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির চুয়াডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর কারাদন্ড ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে চাচার বাড়িতে ভাতিজির অনশন ৪বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক চুয়াডাঙ্গা যুব মহিলা লীগের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গা যুব মহিলা লীগের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত ৩৫ বছরের শ্রেষ্ঠ মৎস্য হ্যাচারি ম্যানেজার আশরাফ-উল-ইসলাম দরিদ্র অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন করানো হবে- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কোটচাঁদপুরে শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী পালন চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ আটক ১

ইসি গঠনে আইন করার প্রস্তাব ওয়ার্কার্স পার্টির

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে আইন তৈরির কথা বলেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির আহ্বানে বঙ্গভবনে যান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা। সেখানে ইসি গঠনে আইন করার প্রস্তাব দেন তারা।

সংলাপে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সঙ্গে ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, মাহমুদুল হাসান মানিক, নুর আহমদ বকুল, কামরূল আহসান, আলী আহমেদ এনামুল হক এমরান ও নজরুল ইসলাম হক্কানী।

সংলাপ শেষে বেরিয়ে এসে রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের জানান, সংলাপে ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে ইসি গঠনে ছয়টি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মেনন বলেন, ‘যদিও আইনমন্ত্রী বলছেন আইন প্রণয়নের যথেষ্ট সময় নেই, তবে পার্লামেন্টেই উদাহরণ আছে যে এর চেয়েও কম সময়ে আইন প্রণয়ন কেবল নয়, সংবিধানও সংশোধন হয়েছে। যেটা প্রয়োজন সেটা হল সংবিধানকে অনুসরণ করা। যদি একান্তই আইন প্রণয়ন না করা হয় তবে যে সার্চ কমিটি গঠনের কথা বলা হচ্ছে সেক্ষেত্রেও সার্চ কমিটির দেওয়া নামগুলোর সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির যাচাই-বাছাইয়ের পর রাষ্ট্রপতিকে পাঠাতে করতে হবে এবং তিনিই সেই তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশন নিয়োগ করবেন।’

মেনন জানান, ওয়ার্কার্স পার্টি রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক নেতাদের সঙ্গেও সংলাপ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই এই আইন উত্থাপন করে জরুরি ভিত্তিতে তা পাস করা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন নিয়োগ সংক্রান্ত সংবিধান বর্ণিত বিধি পরিপূরণে আপনি (রাষ্ট্রপতি) সরকারকে এই নির্দেশ দিতে পারেন।

‘অন্যথায় প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিতর্ক জন্ম দেবে এবং এ ধরনের আস্থাহীনতার পরিবেশে নির্বাচন কমিশন যথাযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারবে না’-বলে উল্লেখ করে ওয়ার্কার্স পার্টি।

ওয়ার্কার্স পার্টি বলেছে, এই আইন অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারগণ নিয়োগের জন্য নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সাংবিধানিক কাউন্সিল থাকবে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলের নেতা, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে এই সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠিত হবে।

এই সাংবিধানিক কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য নাম প্রস্তাব করবেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পরামর্শমত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের নিয়োগ করবেন।

আইন প্রণয়ন একান্তই সম্ভব না হলে বিকল্প হিসেবে যে সার্চ কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করা হচ্ছে সে ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদাধিকারীদের নিয়ে তা গঠন করা যেতে পারে বলে প্রস্তাবনা দিয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি। সূত্র: আমাদের সময়

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com