সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
কোটচাঁদপুর হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে প্রশ্ন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির চুয়াডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর কারাদন্ড ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে চাচার বাড়িতে ভাতিজির অনশন ৪বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক চুয়াডাঙ্গা যুব মহিলা লীগের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গা যুব মহিলা লীগের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ দিবস পালিত ৩৫ বছরের শ্রেষ্ঠ মৎস্য হ্যাচারি ম্যানেজার আশরাফ-উল-ইসলাম দরিদ্র অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন করানো হবে- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কোটচাঁদপুরে শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী পালন চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ আটক ১

বিদ্যুত বিভাগের শ্রমিককে মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে দেয়া হয় সেলাই

বিদ্যুৎ বিভাগের শ্রমিক শামীম হোসেনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে অন্ধকারে মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ১১ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সার্কিট হাউজের সামনে মেইন লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুতের পোল থেকে পড়ে গুরুতর জখম হন তিনিসহ আরও একজন।

এ সময় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিলে ওই সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে ক্ষতস্থানে সেলাই দেয়া হয়। আহত শামীম হোসেন (৪৫) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা সিঅ্যান্ডবিপাড়ার মৃত চাঁদ আলীর ছেলে ও আব্দুল খালেক (৭০) সরোজগঞ্জ এলাকার মৃত জামাত আলীর ছেলে। চুয়াডাঙ্গা বিদ্যুৎ অফিসের লাইনম্যান। আহত শামীম হোসেনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আহত শামীম হোসেনের সহকর্মীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে কলেজ ফিডারে বৈদ্যুতিক সমস্যা দেখা দিলে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউজের সামনে বৈদ্যুতিক পোলে উঠে মেইন লাইনের কাজ করছিলেন শামীম হোসেনসহ তার সহযোগীরা। এ সময় বিদ্যুতের লাইন বন্ধ থাকলেও জেনারেটর ছিলো। এ সময় তিনি অসাবধানতায় ওই জেনারেটর লাইনে হাত দিলে তিনি বিদ্যুত স্পষ্ট হন। শামীমকে বিদ্যুত স্পষ্ট হতে দেখে আব্দুল খালেক তাকে উদ্ধার করতে গেলে তিনিও বিদ্যুত স্পষ্ট হয়ে উপর থেকে নীচে পড়ে যায়। তাদের সহকর্মীরা উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেয়। ওই সময় হাসপাতাল ফিডারে বিদ্যুৎ না থাকায় নিজস্ব জেনারেটর দিয়ে সদর হাসপাতালে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, জেলার একটি সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ওই সময় ছিলো অন্ধকারাচ্ছন্ন। অন্যান্য কক্ষে আলো জ্বললেও জরুরী বিভাগে অন্ধকার থাকার বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কর্তব্যে অবহেলার মধ্যেই পড়ে। এর আগেও জরুরী বিভাগে এ ধরণের ঘটনা ঘটলেও গতকালের ঘটনার পূনরাবৃত্তি আবারও প্রশ্নের মুখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, আহত শামীম হোসেনের ক্ষতস্থানে ৭ টা সেলাই দিতে হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইদুর রহমান বলেন, আহত শামীমকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে। তার ক্ষতস্থানে ৭ টা সেলাই দিতে হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

 

আহসান আলম/এ.এইচ

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com