বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ দুই মাদক কারবারি আটক মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে গাছের সাথে ধাক্কায় দশম শ্রেণির ছাত্র নিহত, আরেক বন্ধু আহত সেনাবাহিনীর জন্য সর্বাধুনিক অস্ত্র কিনছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আনসার ভিডিপির উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাওয়ারট্রলির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত, এক নারী আহত চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় গাঁজা গাছসহ হাতিকাটার মুছাহক মন্ডল আটক গাংনীতে মুদিব্যবসায়ীর আত্মহত্যা ব্র্যাকের আয়োজনে নাগরীক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

জমি না পেয়ে বাবার কব্জি কেটে ফেলা সেই ছেলেকে গ্রেফতার করলো র‌্যাব

মাগুরা প্রতিনিধি:

জমি লিখে না দেওয়ায় ছুরি দিয়ে বাবার হাতের কব্জি কেটে ফেলা সেই ছেলে হানিফ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।  সোমবার সকালে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বালিয়া গ্রামের রুবেল হোসেনের বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দুপুরে র‌্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কমান্ডিং অফিসার মেজর শরীফ বলেন, জমি লিখে না দেওয়ায় ২৩ নভেম্বর মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুরের উথলি গ্রামের শহিদুল ইসলাম সাধুর হাতের কব্জি কেটে ফেলে তারই ছোট ছেলে হানিফ মিয়া। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই মাগুরা সদর থানায় একটি মামলা করেন শহিদুলের বড় ছেলে গোলাম মোস্তফা। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত হানিফ মিয়াকে ধরতে অভিযান চলছিল। অবশেষে সোমবার সকালে যশোরের ঝিকরগাছার বালিয়া গ্রামের রুবেল হোসেনের বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা গেছে, বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকেন হানিফ। বাবা শহিদুল থাকতেন বড় ছেলে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে। সংসার আলাদা হয়ে যাওয়ায় হানিফ প্রায়ই কিছু ফসলি জমি লিখে দেওয়ার জন্য বাবাকে চাপ দিতেন। কিন্তু আচরণ ভালো না হওয়ায় তাকে কোনো সম্পত্তি লিখে দেন নি বাবা। এ কারণে বাবার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে মাঝে মধ্যে বচসাও হতো। সম্পত্তি না পেয়ে ২৩ নভেম্বর সকালে বাড়ীর পাশের একটি চায়ের দোকানে বাবার ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে হাতের কব্জি কেটে ফেলে হানিফ।

গুরুতর জখম অবস্থায় বাবা শহিদুলকে প্রথমে মাগুরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেলে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শহিদুলের নাতনি সোনিয়া খাতুন বলেন, আমার দাদার অবস্থা ভালো না। দুপুরে তাকে রেফার করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করার কথা বলেছে। জানি না দাদা বাঁচবেন কি না।

Please Share This Post in Your Social Media

১২

© All rights reserved © 2020 dailyamaderchuadanga.com