শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুই দোকান মালিককে জরিমানা, এক দোকান পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ চুয়াডাঙ্গায় নিখোঁজের ১৫ দিন পর আখক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ দুই মাদক কারবারি আটক মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে গাছের সাথে ধাক্কায় দশম শ্রেণির ছাত্র নিহত, আরেক বন্ধু আহত সেনাবাহিনীর জন্য সর্বাধুনিক অস্ত্র কিনছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আনসার ভিডিপির উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাওয়ারট্রলির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত, এক নারী আহত চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানা

যুবককে পুড়িয়ে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিকার নামে চার্জশিট

যশোরের শার্শায় পরকীয়া প্রেমিক মনিরুল ইসলাম মনির নামে এক যুবককে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় প্রেমিকা বিথি খাতুন (৩৩) নামে এক নারীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শার্শা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।

অভিযুক্ত বিথি খাতুন শার্শা উপজেলার কাজীরবেড় গ্রামের সিরাজুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া ও ঝিনাইদহ সদরের খানকুলা গ্রামের সাইদুর রহমানের স্ত্রী।

জানা যায়, মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর (রাজগঞ্জ) গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম মনি রাজগঞ্জ বাজারে লোকাল বাসের কলারম্যান (বাস কাউন্টার কর্মী) হিসেবে কাজ করতেন। অপরদিকে অভিযুক্ত বিথি খাতুনের স্বামী সাইদুর রহমান ওয়েব ফাউন্ডেশন এনজিওর রাজগঞ্জ শাখায় চাকরি করতেন।

চাকরির সুবাদে রাজগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন বিথি খাতুন। সেই সুবাদে বিথি খাতুনের সঙ্গে মনিরুল ইসলামের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা মোবাইল ফোনে কথাবার্তা বলতেন। পরবর্তীতে স্বামীর বদলিজনিত কারণে বিথি খাতুন তার সঙ্গে শার্শায় চলে যান। তারা কাজীরবেড়ে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিকালে মনিরুল ইসলাম জরুরি কাজ আছে বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। তার পরিবারের লোকজনকে বলে যান রাতে ফিরবেন না। পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের কাছ থেকে মনিরুল ইসলামের পিতা আবুল হোসেন খবর পান, তার ছেলের লাশ শার্শা থানা পুলিশের হেফাজতে আছে। এ খবর পেয়ে আবুল হোসেন শার্শা থানায় গিয়ে তার ছেলের লাশ শনাক্ত করেন।

পরে আবুল হোসেন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, স্বামী বাসায় না থাকার সুযোগে প্রেমিকা বিথি খাতুন তার ছেলেকে মোবাইল ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মনিরুল ইসলামকে প্রথমে অচেতন করেন বিথি খাতুন। পরে তাকে ওই অবস্থায় ঘর থেকে বের করে বাড়ির সিঁড়িতে নিয়ে আসেন এবং মোটরসাইকেল গায়ের ওপর তুলে দেয়া হয়।

এরপর মোটরসাইকেল থেকে পেট্রল বের করে তার গায়ের ওপর ঢেলে দিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যা করেন বিথি খাতুন। এ ঘটনায় বিথি খাতুনকে আসামি করে শার্শা থানায় মামলা করেন আবুল হোসেন। পুলিশ আসামি বিথি খাতুনকে আটক করে। সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি

Please Share This Post in Your Social Media

১৫

© All rights reserved © 2020 dailyamaderchuadanga.com