বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ দুই মাদক কারবারি আটক মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে গাছের সাথে ধাক্কায় দশম শ্রেণির ছাত্র নিহত, আরেক বন্ধু আহত সেনাবাহিনীর জন্য সর্বাধুনিক অস্ত্র কিনছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আনসার ভিডিপির উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় পাওয়ারট্রলির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত, এক নারী আহত চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তার অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় গাঁজা গাছসহ হাতিকাটার মুছাহক মন্ডল আটক গাংনীতে মুদিব্যবসায়ীর আত্মহত্যা ব্র্যাকের আয়োজনে নাগরীক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা

ছিনিয়ে নেয়া ল্যাপটপসহ ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত খেলনা পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার

 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী ফয়সাল আজাদ সাফির বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে ল্যাপটপ ছিনতাই করা মামলায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোর ৪ টার দিকে অভিযান চালিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের গুলশানপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছী মুসলিমপাড়ার আব্দুল সাত্তারের ছেলে রতন (২২) ও সদর উপজেলার নফরকান্দ্রী গ্রামের মোসলেম হাজাম খলিফার ছেলে আলী হোসেন খলিফা (৩০)। গ্রেফতারের পর তাদের নিকট থেকে একটি চাপাটি, একটি রাম দাঁ ও একটি খেলনা পিস্তল এবং ছিনতাই হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মহসীন বলেন, আলী হোসেন খলিফা ডাকাত সর্দার। ২০০০ সালে রতনের সাথে পরিচায় হয় আলীর। তার দলে তারা মোট ৩ জন সদস্য আছে। চুয়াডাঙ্গায় সংঘটিত প্রায় সব ডাকাতিতেই এই ডাকাত দলের হাত রয়েছে। তারা খেলনার পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে। কেউ বাধা দিলে কুপিয়ে আহত করে। সর্বশেষ গত ২২ নভেম্বর এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেয় আলী ও তার দল। ওই ঘটনায় তার সহযোগী রতনসহ আলীকে গ্রেফতার করা হয়। যখন তখন যাকে তাকে কোপায় আলী। আলী নৃশংস প্রকৃতির লোক। তার কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে কুপিয়ে আহত করে সে। তার কোপ থেকে রক্ষা পায় নি তার শাশুড়ীও। পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়ীর গলায় কোপ দেয় আলী। এক জেলায় ডাকাতি করে, অন্য জেলায় ঘুমায় সে।
আলীর দলের ডাকাতির কার্যক্রম ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গার মধ্যে সীমাবদ্ধ। গ্রেফতার এড়াতে তারা রাতে এক জেলায় ডাকাতি করে অন্য জেলায় গিয়ে ঘুমায়। সর্বশেষ চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ ছিনতাই করেও ঝিনাইদহ পালিয়ে যায়। বুধবার ভোরে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ঝিনাইদহে ডাকাতি করে এসে চুয়াডাঙ্গায় আশ্রয় নেয়। গ্রেফতারকৃত ডাকাত সর্দার আলীর বিরুদ্ধে ১২ টি এবং তার দলের বিরুদ্ধে ২০ টির অধিক মামলা রয়েছে। আলী ও তার দলের হামলায় আহত হয়েছে ১০ এর অধিক মানুষ।

Please Share This Post in Your Social Media

১২

© All rights reserved © 2020 dailyamaderchuadanga.com