সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
গাংনীর কল্যাণপুরে সংঘর্ষে ১০ জন আহত চুয়াডাঙ্গায় হাত-মুখ বাঁধা বয়স্ক স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে মিনা দিবস উদযাপন ‘যাও পাখি বলো তারে’ সিনেমার টাইটেল গান প্রকাশ (ভিডিও) রিমোট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে জীবন্ত তেলাপোকা! নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের দাবি বিজ্ঞানীদের ছাপা কাগজে খাবার পরিবেশন বন্ধের নির্দেশ বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমারের সেনাদের গুলি বিনিময় সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার জবাব দিব: মির্জা ফখরুল মদপান স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, মন্তব্য ভারতের সুপ্রিম কোর্টের! আগামীকাল শনিবার মীনা দিবস, দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি

জিআরপি-নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন?

আহসান আলম:

একটা সময় ছিল ট্রেন ভ্রমণে যাত্রীরা নিরাপদ মনে করেতেন। আঞ্চলিক সড়ক ও মহা সড়কে প্রতিনিয়িত ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় ট্রেন যাত্রা নিরাপদ মনে করে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওপর সাধারণ মানুষেন আস্থা ফিরে আসে। ট্রেনে যাত্রী বাড়ার সাথে সাথে বেড়ে যায় চুরি ছিনতাই। তৈরী হয়েছে সিন্ডিকেট। ওই সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে অনেকে হচ্ছে স্বর্বঃশান্ত। ট্রেনে ভ্রমণকারী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেতে চলন্ত ট্রেনে স্বার্বক্ষাণিক জিআরপি সদস্যরা টহলে থাকে। শুধু কি তাই! ষ্টেশনে অপেক্ষমান যাত্রীদের নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে প্রতিটা ষ্টেশনে জিআরপি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে স্বার্বক্ষনিক দ্বায়িত্ব পালন করে থাকেন। তারপরও প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরি, ছিনতাই ও পকেটমারের ঘটনা। একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ ঘটনা ঘটে থাকে। নারী সদস্যরাও ওই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত বলে প্রমান পাওয়া গেছে। গত ক’দিন ধরে চলন্ত ট্রেনে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলন্ত ট্রেনে থামেনি ছিনতাই ও পকেটমারের ঘটনা। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ট্রেন যাত্রীরা। গতকালও ঘটেছে এমন ঘটনা। চলন্ত ট্রেনে এক নারী যাত্রীর টাকাসহ ভ্যানিটি ব্যাগ ও রুপার গহনা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহী থেকে খুলনার উদ্যেশে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনে ওই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা রেল ষ্টেশনের সিসি টিভির ফুটেজে দেখা গেছে ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত ছিলো দু’জন নারী ও একজন পুরুষ।
সিসি টিভির ফুটেজে দেখা গেছে, গতকাল বুধবার রাজশাহী থেকে খুলনার উদ্যেশে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর সাগরদাড়ী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশনে পৌছায়। এ সময় একটি কক্ষ থেকে গোলাপী ওড়না পরিহিত এক নারীকে সন্দেহজনক অবস্থায় নামতে দেখা যায়। পড়ে ওই নারী আগে থেকে চুয়াডাঙ্গা রেল ষ্টেশনে অপেক্ষায় থাকা আরেক নারী ও এক পুরুষের সাথে কথা বরছে। পরে তারা বাইরে চলে যায়।
ট্রেন চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর একজন যায় কর্তব্যরত রেল ষ্টেশন মাস্টারের কক্ষে। সেখানে তিনি তার বোনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা করলে স্টেশন মাস্টারের কক্ষে থাকা সিসিটিভির মনিটরে দেখে ওই দুইজনকে সন্দেহ করা হয়।
এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারের ওই সদস্য অনেকক্ষণ ধরে ষ্টেশন মাষ্টারের কক্ষে থাকলেও স্টেশন মাস্টার নাসরিন ফারহানা তার পরিচয় নেননি। স্টেশন মাষ্টারের কি উচিৎ ছিলো না ভুক্তভোগীর পরিচয় জানার ?
অপরদিকে, প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলেও রেল স্টেশনে দ্বায়িত্বরত জিআরপি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদ্যসরা আজও কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি। অথচ তাদের নাকের ডগার উপরে ঘুরে রেড়াচ্ছে ওই চক্রটি।
পুলিশ সুপার (রেলওয়ে খুলনা) রবিউল হাসানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। যেহেতু রেলওয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দ্বায়িত্ব আমাদের। তাই এর দায়ভার আমাদেরকেই নিতে হবে। তবে, এ ধরনের ঘটনা এর আগে আমাকে কেউ জানায়নি। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেদিকে আমি কড়া নজরে রাখবো। তিনি আরও জানান, আগামী মাসে আমি চুয়াডাঙ্গায় যাবো এবং সেখানকার আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি নিয়ে আলাপ আলোচনা করবো।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com