পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর চামড়া দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদ। যথাযথ নিয়মে পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো এবং সঠিকভাবে লবণ ব্যবহার করে সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে এই মূল্যবান সম্পদের অপচয় রোধের পাশাপাশি দেশের চামড়া শিল্প আরও সমৃদ্ধ হতে পারে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে গতকাল রোববার বিকেল ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবী ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর চুয়াডাঙ্গা জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বিসিকের উপস্থাপক এম বি এম আনিসুজ্জামান।
প্রশিক্ষণে কোরবানিকৃত পশুর চামড়া সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশেষ করে চামড়া নষ্ট হওয়া রোধে সময়মতো ও সঠিক পরিমাণে লবণ প্রয়োগের গুরুত্ব, পরিষ্কার স্থানে সংরক্ষণ এবং পরিবহনের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আবিদুল হাসান শিমুল, উপজেলা প্রশিক্ষক মিলন হোসেনসহ আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সঠিক নিয়মে কোরবানি ও সময়মতো লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করা গেলে চামড়ার গুণগত মান বজায় থাকে এবং দেশের চামড়া শিল্প অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হতে পারে।