
স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গা জেলায় মাদকের বিস্তার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বড় ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পৃথক দুটি অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজা এবং ১০২ পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জীবননগর থানাধীন কালা গাংপাড়া গ্রামে প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয়।
ডিএনসি চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোঃ বিপুল মিয়া (৪৫) এর বসতবাড়িতে হানা দেয়।
তল্লাশিকালে তার একতলা বিল্ডিংয়ের দক্ষিণ পাশের কক্ষের খাটের নিচ থেকে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত বিপুল মিয়া ওই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
অন্যদিকে, দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন কলেজ রোড এলাকায় দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয়। গোম পট্টি সংলগ্ন মেসার্স জাহিদ এন্টারপ্রাইজের সামনে পাকা রাস্তার ওপর সন্দেহভাজন হিসেবে মোঃ লিটন (৪৫) কে আটক করা হয়।
পরে তল্লাশিকালে তার শরীরের পেটের অংশে বিশেষ কায়দায় কসটেপ দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ১০২ পিস বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। লিটন চুয়াডাঙ্গা সদরের আলুকদিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হবি মিস্ত্রির ছেলে।
অভিযান দুটিতে নেতৃত্ব দেন এবং বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন যথাক্রমে:
পরিদর্শক মোঃ বদরুল হাসান
উপপরিদর্শক মোঃ কবির উদ্দিন তালুকদার
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় জীবননগর ও চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চুয়াডাঙ্গার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তঘেঁষা জেলা হওয়ায় এখানে মাদকের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
যুবসমাজকে মাদকের মরণব্যাধি থেকে রক্ষা করতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মোঃ নাঈম উদ্দীন 

















