
সেনা হেফাজতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৫৩) মারা গেছেন। মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার লাশ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা আছে। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা হাসপাতালে জড়ো হন। ডাবলু জীবননগর বসতিপাড়ার মৃত আতেহার মাস্টারের পুত্র।
সেনাবাহিনীর দাবি, শামসুজ্জামান ডাবলু হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়। এসময় তার দোকান থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, আটকের পর ডাবলুকে সেনাসদস্যরা পাশের একটি কক্ষে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ডাবলু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার ১২ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে ডাবলুকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি থেকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ডাবলুর মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা ছিল এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান করেন।
জীবননগর উপজেলা ফরেস্ট অফিসার ও ডাবলুর ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল সাংবাদিকদের বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে সেনাবাহিনীর কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং সাংবাদিকদেরও হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেননি।
খবর পেয়ে জীবননগর হাসপাতালে পৌঁছান চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি ডাবলুর মৃতদেহ দেখার পর বাহিরে এসে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইনের মাধ্যমে বিচার চাই।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জীবননগর শহরে বিএনপি কর্মীদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল।
বিশেষ প্রতিনিধি 










