১২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলায় ক্ষতির মুখে বোয়ালমারীর ব্যবসায়ীরা

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলার কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মালামাল পরিবহনে দায়িত্বহীন আচরণ ও অসতর্ক হ্যান্ডলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি বোয়ালমারীর ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া, স্বত্বাধিকারী মিয়া ইলেকট্রনিকস-এর কাছে আগমনী ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ১৫০ পিস কাচের মাল পাঠানো হয়। কার্টনের গায়ে স্পষ্টভাবে “কাচের মাল / সাবধান” লেখা থাকলেও পরিবহনের সময় চরম অবহেলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে পুরো চালানের সব মাল ভেঙে যায় এবং একটিও বিক্রির উপযোগী থাকেনি।

ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ কার্টন মাল আসে। কিন্তু আগমনী ট্রান্সপোর্টের এমন দায়িত্বহীন আচরণের কারণে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের বিষয়ে ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তারা ক্ষতির দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং কোনো ধরনের সহানুভূতিও দেখাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ বা অভিযোগ করতে গেলে উল্টো রূঢ় আচরণ ও গরম ব্যবহার করা হয়, যা একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর জন্য অপমানজনক। এতে অনেক ব্যবসায়ী প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া আগমনী ট্রান্সপোর্ট বয়কটের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বোয়ালমারীর অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার এবং প্রয়োজনে সম্মিলিত প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে আগমনী ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় না।

Tag :
এখন আলোচনায়

বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ: কখন, কীভাবে দেখবেন?

আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলায় ক্ষতির মুখে বোয়ালমারীর ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় আগমনী ট্রান্সপোর্টের অবহেলার কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। মালামাল পরিবহনে দায়িত্বহীন আচরণ ও অসতর্ক হ্যান্ডলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

সম্প্রতি বোয়ালমারীর ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া, স্বত্বাধিকারী মিয়া ইলেকট্রনিকস-এর কাছে আগমনী ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ১৫০ পিস কাচের মাল পাঠানো হয়। কার্টনের গায়ে স্পষ্টভাবে “কাচের মাল / সাবধান” লেখা থাকলেও পরিবহনের সময় চরম অবহেলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে পুরো চালানের সব মাল ভেঙে যায় এবং একটিও বিক্রির উপযোগী থাকেনি।

ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতি মাসে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ কার্টন মাল আসে। কিন্তু আগমনী ট্রান্সপোর্টের এমন দায়িত্বহীন আচরণের কারণে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের বিষয়ে ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও তারা ক্ষতির দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং কোনো ধরনের সহানুভূতিও দেখাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ বা অভিযোগ করতে গেলে উল্টো রূঢ় আচরণ ও গরম ব্যবহার করা হয়, যা একজন সাধারণ ব্যবসায়ীর জন্য অপমানজনক। এতে অনেক ব্যবসায়ী প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যবসায়ী মো. পিকুল মিয়া আগমনী ট্রান্সপোর্ট বয়কটের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বোয়ালমারীর অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার এবং প্রয়োজনে সম্মিলিত প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে আগমনী ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় না।