১২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় সাপের কামড়ে শিশু সোয়াদের প্রাণহানি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪
  • ১১২ Time View

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কালাচ সাপের (কাল কেউটে) কামড়ে সোয়াদ ইসলাম (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, এটি বিষাক্ত কালাচ সাপ। মা-মেয়ের মৃত্যুর বছর না ঘুরতেই আবারও একই জাতের সাপের কামড়ে তাদের আরেক শিশু প্রাণ হারালো। এর আগে গত বছরের ২৪ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ভবানিপুর এলাকায় ঘুমের ঘোরে কালাচ সাপের কামড়ে আয়েশা খাতুন (২৫) ও তার ৭ মাস বয়সী মেয়ে নুসরাত জাহানের মৃত্যু হয়। নিহতরা একই গ্রামের ইব্রাহীমের স্ত্রী ও মেয়ে। মৃত শিশু সোয়াদ ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতখালী চৌপাড়া গ্রামের সুখ চাঁদের ছেলে।

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহি জানান, সোয়াদ তার বাবা-মায়ের সাথে ঘুমিয়ে ছিল। গত বুধবার ৩ জুলাই ভোররাতে ঘুমের মধ্যে সোয়াদকে কিছু একটা কামড় দেয়। এ সময় শিশুটি টের পেয়ে চিৎকার করলে বাবা-মা ঘুম থেকে জেগে পাশেই একটা কালাচ বা কাল কেউটে সাপ দেখতে পান। এ সময় বাবা সুখ চাঁদ ঘরের ভেতরে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে সাপটিকে কোপ দিয়ে মেরে ফেলেন।

পরে ছেলেকে দ্রুত দৌলতপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনায় ওই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, হাসপাতালে আসার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটির চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ চলছিল, তার মধ্যেই শুক্রবার সকাল ১০টার সময় তার মৃত্যু হয়। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে যে কয়টি বিষধর সাপ রয়েছে তাদের মধ্যে কালাচ অন্যতম। এই সাপ কেউটে বা কালকেউটে নামেও পরিচিত।

জানা গেছে, প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় সাত হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান। এরমধ্যে কালাচ বা কেউটের ছোবলেই সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখন আলোচনায়

লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র নব নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ গঠন

কুষ্টিয়ায় সাপের কামড়ে শিশু সোয়াদের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০২:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুলাই ২০২৪

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কালাচ সাপের (কাল কেউটে) কামড়ে সোয়াদ ইসলাম (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, এটি বিষাক্ত কালাচ সাপ। মা-মেয়ের মৃত্যুর বছর না ঘুরতেই আবারও একই জাতের সাপের কামড়ে তাদের আরেক শিশু প্রাণ হারালো। এর আগে গত বছরের ২৪ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের ভবানিপুর এলাকায় ঘুমের ঘোরে কালাচ সাপের কামড়ে আয়েশা খাতুন (২৫) ও তার ৭ মাস বয়সী মেয়ে নুসরাত জাহানের মৃত্যু হয়। নিহতরা একই গ্রামের ইব্রাহীমের স্ত্রী ও মেয়ে। মৃত শিশু সোয়াদ ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতখালী চৌপাড়া গ্রামের সুখ চাঁদের ছেলে।

নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহি জানান, সোয়াদ তার বাবা-মায়ের সাথে ঘুমিয়ে ছিল। গত বুধবার ৩ জুলাই ভোররাতে ঘুমের মধ্যে সোয়াদকে কিছু একটা কামড় দেয়। এ সময় শিশুটি টের পেয়ে চিৎকার করলে বাবা-মা ঘুম থেকে জেগে পাশেই একটা কালাচ বা কাল কেউটে সাপ দেখতে পান। এ সময় বাবা সুখ চাঁদ ঘরের ভেতরে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে সাপটিকে কোপ দিয়ে মেরে ফেলেন।

পরে ছেলেকে দ্রুত দৌলতপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনায় ওই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, হাসপাতালে আসার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটির চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ চলছিল, তার মধ্যেই শুক্রবার সকাল ১০টার সময় তার মৃত্যু হয়। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে যে কয়টি বিষধর সাপ রয়েছে তাদের মধ্যে কালাচ অন্যতম। এই সাপ কেউটে বা কালকেউটে নামেও পরিচিত।

জানা গেছে, প্রতিবছর বাংলাদেশে প্রায় সাত হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান। এরমধ্যে কালাচ বা কেউটের ছোবলেই সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।