০৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও জমি দখলের অভিযোগ

জয়পুরহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীপুর মন্ডলপাড়ায় বৈধ দলিল, খাজনা ও খারিজ থাকা সত্ত্বেও মোঃ খলিলুর রহমানের ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখল করে টিনের ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মোঃ আঃ ছালামের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত আঃ ছালাম মৃত আমির ফকিরের ছেলে।

ভুক্তভোগী মোঃ খলিলুর রহমান, পিতা-মৃত জসিম উদ্দিন মন্ডল জানান, মৌজা দেবীপুরের এম আর খতিয়ান নং-৩৩, সাবেক দাগ নং-৯৫/৯৬ এবং হাল দাগ নং-৭১৬/৭২৩ এর ২১ দশমিক ৫০ শতক জমি তিনি প্রায় ৪৫ বছর আগে কবলা মূলে ক্রয় করেন।

এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। জমিতে বাঁশ, আমগাছসহ বিভিন্ন গাছপালা রোপণ করেন তিনি। এছাড়া জমির দলিল, খাজনা, খারিজসহ সকল বৈধ কাগজপত্র তার নামে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

খলিলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী গেলে তার অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিবেশী মোঃ আঃ ছালাম, পিতা-মৃত আমির ফকির, লোকজন নিয়ে তার দখলীয় জমিতে জোরপূর্বক টিনের বেড়া ও চালা নির্মাণ করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে অভিযুক্ত আঃ ছালামের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের জমিতে আমরাই ঘর উঠাইছি।”

এ বিষয়ে আইনজীবী জয়পুরহাট জজ কোর্টের আইনজীবী বজলুর রশিদ বলেন, “যে জমির বৈধ দলিল, খাজনা ও খারিজ রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছে, সেই জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে স্থাপনা নির্মাণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রতিকার চাইতে পারেন।

ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ

বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও জমি দখলের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

জয়পুরহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেবীপুর মন্ডলপাড়ায় বৈধ দলিল, খাজনা ও খারিজ থাকা সত্ত্বেও মোঃ খলিলুর রহমানের ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখল করে টিনের ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মোঃ আঃ ছালামের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত আঃ ছালাম মৃত আমির ফকিরের ছেলে।

ভুক্তভোগী মোঃ খলিলুর রহমান, পিতা-মৃত জসিম উদ্দিন মন্ডল জানান, মৌজা দেবীপুরের এম আর খতিয়ান নং-৩৩, সাবেক দাগ নং-৯৫/৯৬ এবং হাল দাগ নং-৭১৬/৭২৩ এর ২১ দশমিক ৫০ শতক জমি তিনি প্রায় ৪৫ বছর আগে কবলা মূলে ক্রয় করেন।

এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমিটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। জমিতে বাঁশ, আমগাছসহ বিভিন্ন গাছপালা রোপণ করেন তিনি। এছাড়া জমির দলিল, খাজনা, খারিজসহ সকল বৈধ কাগজপত্র তার নামে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

খলিলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী গেলে তার অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিবেশী মোঃ আঃ ছালাম, পিতা-মৃত আমির ফকির, লোকজন নিয়ে তার দখলীয় জমিতে জোরপূর্বক টিনের বেড়া ও চালা নির্মাণ করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে অভিযুক্ত আঃ ছালামের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের জমিতে আমরাই ঘর উঠাইছি।”

এ বিষয়ে আইনজীবী জয়পুরহাট জজ কোর্টের আইনজীবী বজলুর রশিদ বলেন, “যে জমির বৈধ দলিল, খাজনা ও খারিজ রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছে, সেই জমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে স্থাপনা নির্মাণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি প্রতিকার চাইতে পারেন।

ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।