০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেড়ামারায় গভীর রাতে এসিল্যান্ডের অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনের ট্রাক জব্দ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধে গভীর রাতে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। পুরাতন ফেরি ঘাট এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনের সাথে সরাসরি জড়িত বেশ কিছু ট্রাক ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু দস্যুরা কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এসিল্যান্ড ডা. গাজী আশিক বাহার জানান, “একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের আধারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং কোনো ইজারা ছাড়াই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে করে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে পড়ছে। জব্দকৃত ট্রাকগুলোর বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনস্বার্থে এবং নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

তারা জানান, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। তাই এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করার দাবি জানিয়েছেন তারা

Tag :
এখন আলোচনায়

লালমনিরহাটে চোরাচালান ও মাদক বিরোধী অভিযানে ভারতীয় মাদক এবং কসমেটিক্স জব্দ

ভেড়ামারায় গভীর রাতে এসিল্যান্ডের অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনের ট্রাক জব্দ

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধে গভীর রাতে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। পুরাতন ফেরি ঘাট এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বালু উত্তোলনের সাথে সরাসরি জড়িত বেশ কিছু ট্রাক ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু দস্যুরা কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এসিল্যান্ড ডা. গাজী আশিক বাহার জানান, “একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের আধারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং কোনো ইজারা ছাড়াই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে করে পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে পড়ছে। জব্দকৃত ট্রাকগুলোর বিরুদ্ধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনস্বার্থে এবং নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

তারা জানান, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। তাই এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করার দাবি জানিয়েছেন তারা