০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটের অনুর্বর জমিতে তুলার চাষ; কৃষকের মুখে হাসি

‎লালমনিরহাটে অনুর্বর জমিতে উন্নত জাতের তুলা চাষ করে দিন দিন লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। যেসব জমিতে ভালো শস্য হয় না, সেই সব জমিতে চাষ হচ্ছে তুলা। বেশি লাভজনক হওয়ায় লালমনিরহাটের কৃষকেরা তুলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

‎তুলা উন্নয়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর লালমনিরহাট জেলায় ১৫৪ হেক্টর জমিতে উন্নত জাতের হাইব্রিড জাতের তুলা চাষ হয়েছে। বিঘাপ্রতি গড়ে প্রায় ১২ মন তুলা উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে কৃষকরা চাষকৃত তুলা সংগ্রহ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

‎তুলা চাষি কর্ণপুর গ্রামের বৈদ্ধনাথ রায় বলেন, চলতি মৌসুমে নিজের ও অন্যের জমি লিজ নিয়ে তুলা চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আশা করছি ভালো দামে তুলা বিক্রি করতে পারব।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলা পর্যায়ের কটন ইউনিট অফিসার মোঃ রেজাউল করিম জানান, অনুর্বর জমিতে তুলা চাষে আগ্রহী করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে চাষিদের মাঝে আগ্রহ বেড়েছে। প্রতিমণ তুলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চাষিদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা দরে কিনে নিচ্ছে। এ বছর তুলার ফলনও খুব ভালো হয়েছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

পলাশবাড়ীতে পৈত্রিক জমির রোপিত ধানের চারা উপড়ে ফেলল প্রতিপক্ষরা, থানায় অভিযোগ

লালমনিরহাটের অনুর্বর জমিতে তুলার চাষ; কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

‎লালমনিরহাটে অনুর্বর জমিতে উন্নত জাতের তুলা চাষ করে দিন দিন লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। যেসব জমিতে ভালো শস্য হয় না, সেই সব জমিতে চাষ হচ্ছে তুলা। বেশি লাভজনক হওয়ায় লালমনিরহাটের কৃষকেরা তুলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

‎তুলা উন্নয়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর লালমনিরহাট জেলায় ১৫৪ হেক্টর জমিতে উন্নত জাতের হাইব্রিড জাতের তুলা চাষ হয়েছে। বিঘাপ্রতি গড়ে প্রায় ১২ মন তুলা উৎপাদন হয়েছে। বর্তমানে কৃষকরা চাষকৃত তুলা সংগ্রহ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

‎তুলা চাষি কর্ণপুর গ্রামের বৈদ্ধনাথ রায় বলেন, চলতি মৌসুমে নিজের ও অন্যের জমি লিজ নিয়ে তুলা চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আশা করছি ভালো দামে তুলা বিক্রি করতে পারব।

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলা পর্যায়ের কটন ইউনিট অফিসার মোঃ রেজাউল করিম জানান, অনুর্বর জমিতে তুলা চাষে আগ্রহী করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে চাষিদের মাঝে আগ্রহ বেড়েছে। প্রতিমণ তুলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চাষিদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা দরে কিনে নিচ্ছে। এ বছর তুলার ফলনও খুব ভালো হয়েছে।