০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে ২শত বোতল এস্কাফ ও ফেয়ারডিল জব্দসহ ৪জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ১শতটি বোতল এস্কাফ এবং ১শতটি বোতল ফেয়ারডিল জব্দসহ ৪জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৩।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১৩ সিপিএসসি রংপুর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটিই জানিয়েছেন সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।

র‌্যাবের চলমান এই মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ১৪.২০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১৩ সদর কোম্পানী রংপুর এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন পলাশী ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের মদনপুর গ্রামস্থ মৃত ছলিমুদ্দিনের ছেলে শাহ জামালের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামিদের ব্যবহৃত ইজিবাইক ও মোটর সাইকেল তল্লাশীকালে তাদের হেফাজতে থাকা রঙিন প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর ১শতটি বোতল এস্কাফ এবং ১শতটি বোতল ফেয়ারডিল এবং ১টি মোটর সাইকেল ও ১টি ইজিবাইক জব্দসহ ৪জন মাদক ব্যবসায়ী যথাক্রমে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের বনচৌকি গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে হাফিজুর রহমান (২৮), মোঃ নজীর হোসেনের ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৩), মোঃ লাবলু হোসেনের মোঃ আনারুল ইসলাম (২৫) ও মোঃ আব্দুল হামিদের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (২৫)‘দেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন ধরে ধৃত আসামিগণ লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য এসকাফ ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সু-কৌশলে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে। ধৃত আসামিগণ অভিনব সব কৌশল অবলম্বন করে মাদক পরিবহন ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।

পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক ধৃত আসামিগণ ও জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য যে, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’- এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় সমমনা দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

লালমনিরহাটে ২শত বোতল এস্কাফ ও ফেয়ারডিল জব্দসহ ৪জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ১শতটি বোতল এস্কাফ এবং ১শতটি বোতল ফেয়ারডিল জব্দসহ ৪জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৩।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১৩ সিপিএসসি রংপুর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটিই জানিয়েছেন সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।

র‌্যাবের চলমান এই মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ১৪.২০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১৩ সদর কোম্পানী রংপুর এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন পলাশী ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের মদনপুর গ্রামস্থ মৃত ছলিমুদ্দিনের ছেলে শাহ জামালের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামিদের ব্যবহৃত ইজিবাইক ও মোটর সাইকেল তল্লাশীকালে তাদের হেফাজতে থাকা রঙিন প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর ১শতটি বোতল এস্কাফ এবং ১শতটি বোতল ফেয়ারডিল এবং ১টি মোটর সাইকেল ও ১টি ইজিবাইক জব্দসহ ৪জন মাদক ব্যবসায়ী যথাক্রমে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের বনচৌকি গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে হাফিজুর রহমান (২৮), মোঃ নজীর হোসেনের ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৩), মোঃ লাবলু হোসেনের মোঃ আনারুল ইসলাম (২৫) ও মোঃ আব্দুল হামিদের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (২৫)‘দেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন ধরে ধৃত আসামিগণ লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য এসকাফ ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সু-কৌশলে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে। ধৃত আসামিগণ অভিনব সব কৌশল অবলম্বন করে মাদক পরিবহন ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।

পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক ধৃত আসামিগণ ও জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য যে, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’- এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।