
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনে লালমনিরহাটের আদিতমারী-কালীগঞ্জ-০২ আসনের অধীনে বসবাসকারী প্রতিবাদী, সম্ভ্রান্ত ও উচ্চ শিক্ষিত পরিবারের এক মহিসী ও উচ্চ শিক্ষিত নারী তাবাসসুমকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে দেখতে চায় আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার জনগণ।
ওই নারীর পুরো নাম: এস. তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না। বি.এ.(অনার্স) (২য় শ্রেণীতে ১ম), এম.এ., ইংরেজি, (১ম শ্রেণী) (ডাবল এম.এ.) কারমাইকেল কলেজ, রংপুর।
তাবাসসুম একটি কলেজের ইংরেজী অনার্স বিষয়ের প্রভাষক, মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে এখনও বহাল। এছাড়াও তিনি সাংবাদিকতার জড়িত রয়েছেন।
তাঁর পিতা মরহুম মুহাম্মদ বজলে রহমান মুসতাযীর বিল্লাহ, এম.এ., ইংরেজী, বাংলা, কলকাতা বিশ্বিবদ্যালয়।
শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক, সমাজ সেবক, স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচন করেছিলেন মাওলানা ভাসানীর প্রতীকে।
তিনি একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছিলেন, সমাজ সেবক ছিলেন।
১৩টি হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা।
দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার উপ-সম্পাদকীয়তে লিখতেন।
রংপুরের “ইসলামবাগ” নামটি তাঁর দেয়া।
আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কালীগঞ্জের।
মাতা: আমেনা শিরীণ মুসতাযীর বি. এ.
চাচা: মুহাম্মদ মকসুদুর রহমান মুসতাযীর।
বি.এ. অনার্স ১ম শ্রেণীতে ১ম, এম. এ. ১ম শ্রেণীতে ১ম, অর্থনীতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, এসোসিয়েট প্রফেসর, কমনওয়েলথ স্কলারশিপ পেয়ে লন্ডনে পিএইচডি করতে যান।
কাজিন: সোহেল আনওয়ার মুসতাযীর।
বুয়েটের ১ম শ্রেণীতে ১ম। গোল্ড মেডালিস্ট, স্কলারশিপে ফ্লোরিডা যান, পিএইচডি করে বর্তমানে ইন্ডিয়ানা এন্ড পুরদু ইউনিভার্সিটিতে প্রফেসর।
কাজিন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের এম. এস.সি. ১ম শ্রেণী, এমফিল।
অন্যান্য কাজিনরা আমেরিকাতে, কানাডাতে চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার।
কাজিনের হাসবেন্ড: বিচারপতি এ.কে. এম. আসাদুজ্জামান। আপিল বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
কাজিন: রিটায়ার্ড জেলা জজ।
পরদাদা: আব্দুল গনি মুসতাযীর, ব্রিটিশ সরকারের ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।
ওই এলাকার জনগন জানান, তাবাসসুম একজন প্রতিবাদী নারী এবং তিনি জনদরদী।
অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যেয়ে তাবাসসুম জুলুমের শিকার হয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ কালীগঞ্জে থানা ক্যাম্পাস থেকে গ্রেফতার হয়ে ৯দিন জেল-হাজতে ছিলেন, কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। তাবাসসুম ও তার পিতা সাবেক সমাজ কল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এর সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু পরিবার কর্তৃক প্রতিনিয়ত হয়রানী ও জুলুমের শিকার হয়েছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনে সুযোগ পেলে এ অঞ্চলের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের জন্য তিনি নিজেকে আত্ম নিয়োগ করবেন। অসংখ্য ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে। তিনি দূর্নীতি ও বৈষম্য মুক্ত এবং ইনসাফ ভিত্তিক দেশ গড়তে ভূমিকা রাখবেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ 




















