০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘শিশুদের মানসিক বিকাশ ও নিজস্ব সংস্কৃতিকে জানতে ভূমিকা রাখছে বসন্ত ও পিঠা উৎস’- পরিচালক রুহুল আমিন মন্ডল

  • মাসুদ রানা
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ Time View

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

শিশু কানন কিন্ডারগার্টেন ও হাই স্কুলের পরিচালক রুহুল আমিন মন্ডল বলেছেন, ​বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থায় যখন শিক্ষার্থীরা বইয়ের পাতায় বন্দি, তখন বসন্ত উৎসব কিংবা পিঠা উৎসবের মতো আয়োজনগুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক ও মেধাবিকাশে এক অনন্য কারিগর হিসেবে কাজ করছে।

অপরদিকে, আমাদের লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের মাঝে বাঙালির ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনার উন্মেষ ঘটানো।

সে লক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বাৎসরিক বসন্ত ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ​পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শেকড়ের সন্ধান পায়। আধুনিক ফাস্টফুডের যুগে আমাদের ঐতিহ্যবাহী নকশি পিঠা, পুলি বা ভাপা পিঠার সাথে শিশুদের পরিচিত হওয়া মানেই নিজের সংস্কৃতিকে জানা। নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।

ভবিষ্যতে এধরণের উদ্যোগ গুলো আরো প্রাণবন্ত ভাবে আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন রুহুল আমিন মণ্ডল।

প্রসঙ্গত: রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিশু কানন কিন্ডারগার্টেন ও হাই স্কুলের নতুন বহুতল ভবনের নিজস্ব ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বসন্ত ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা অংশ নেন।
শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অভিভাবকরা।

Tag :
এখন আলোচনায়

চুয়াডাঙ্গায় রেক্টিফাইড স্পিরিটে মৃত্যুঝুঁকি রোধে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

‘শিশুদের মানসিক বিকাশ ও নিজস্ব সংস্কৃতিকে জানতে ভূমিকা রাখছে বসন্ত ও পিঠা উৎস’- পরিচালক রুহুল আমিন মন্ডল

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

শিশু কানন কিন্ডারগার্টেন ও হাই স্কুলের পরিচালক রুহুল আমিন মন্ডল বলেছেন, ​বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থায় যখন শিক্ষার্থীরা বইয়ের পাতায় বন্দি, তখন বসন্ত উৎসব কিংবা পিঠা উৎসবের মতো আয়োজনগুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক ও মেধাবিকাশে এক অনন্য কারিগর হিসেবে কাজ করছে।

অপরদিকে, আমাদের লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের মাঝে বাঙালির ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনার উন্মেষ ঘটানো।

সে লক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বাৎসরিক বসন্ত ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ​পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শেকড়ের সন্ধান পায়। আধুনিক ফাস্টফুডের যুগে আমাদের ঐতিহ্যবাহী নকশি পিঠা, পুলি বা ভাপা পিঠার সাথে শিশুদের পরিচিত হওয়া মানেই নিজের সংস্কৃতিকে জানা। নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।

ভবিষ্যতে এধরণের উদ্যোগ গুলো আরো প্রাণবন্ত ভাবে আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন রুহুল আমিন মণ্ডল।

প্রসঙ্গত: রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিশু কানন কিন্ডারগার্টেন ও হাই স্কুলের নতুন বহুতল ভবনের নিজস্ব ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বসন্ত ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা অংশ নেন।
শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করায় আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অভিভাবকরা।