০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষের হিন্দু সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ: বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

  • সুজন হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ Time View

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ সদরের আংশিক) আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটার ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ রাশেদ খান।
বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ-শিরিষ প্রতীক) সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থকরা তার নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের সমর্থক এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বাড়িছাড়া করার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রæয়ারি) উপজেলার জামাল ইউনিয়নের হরদেবপুর গ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকটি পরিবারের ওপর হামলা ও হুমকি প্রদান করা হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
হামলার শিকার হরদেবপুর গ্রামের সন্তু দাসের স্ত্রী নীলি দাশ ও অশোক দাসের স্ত্রী ঝুমা দাশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আনসার মোল্লা, মুনসুর মোল্লা, মনজের মোল্লা, সাখাওয়াত মোল্লা, আলাউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, নায়েব আলী, জিল্লু, সুমন ও নাজমুলসহ ১০ জনের নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে রাশেদ খান অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শ্রঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, এই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, আমার রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি কুচক্রিমহল এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করছে।

এ বিষয়ে সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজোয়ানা নাহিদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আমার নিকট এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আিম ভিডিও ফুটেজ দেখেছি, ঘটনাস্থলে এক্সিটিউভ ম্যাজিট্রেডসহ আইন প্রয়োগকারি সংস্থা পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :
এখন আলোচনায়

রাত পোহালেই ভোট: চুুয়াডাঙ্গা ৩৫৪ কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী

ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষের হিন্দু সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ: বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

আপডেট সময় : ০৯:২৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ সদরের আংশিক) আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটার ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ রাশেদ খান।
বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ-শিরিষ প্রতীক) সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থকরা তার নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের সমর্থক এবং সংখ্যালঘু ভোটারদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বাড়িছাড়া করার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রæয়ারি) উপজেলার জামাল ইউনিয়নের হরদেবপুর গ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকটি পরিবারের ওপর হামলা ও হুমকি প্রদান করা হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
হামলার শিকার হরদেবপুর গ্রামের সন্তু দাসের স্ত্রী নীলি দাশ ও অশোক দাসের স্ত্রী ঝুমা দাশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আনসার মোল্লা, মুনসুর মোল্লা, মনজের মোল্লা, সাখাওয়াত মোল্লা, আলাউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, নায়েব আলী, জিল্লু, সুমন ও নাজমুলসহ ১০ জনের নাম অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে রাশেদ খান অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শ্রঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, এই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, আমার রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি কুচক্রিমহল এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করছে।

এ বিষয়ে সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজোয়ানা নাহিদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আমার নিকট এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আিম ভিডিও ফুটেজ দেখেছি, ঘটনাস্থলে এক্সিটিউভ ম্যাজিট্রেডসহ আইন প্রয়োগকারি সংস্থা পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।