
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি :
পরকীয়া করায় স্ত্রীকে তালাক, মোটা অংকের টাকা দিতে না পারায় ৮ মাস পর স্বামী নুরনবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে গুজব ছড়ানো এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টার দিকে ভোলার চরফ্যাশনে একটি পত্রিকা অফিসে লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে মো. নুরনবী।
নুরনবী জানান, ২০২২ সালে চরফ্যাশন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নুর হোসেনের মেয়ে তাঁরা বেগমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই সন্তান জন্ম নেয়। তিনি দাবি করেন, প্রথম সন্তানের জন্মের সময় তার স্ত্রী অন্য এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং এ ঘটনায় পাঁচ মাসের গর্ভপাত ঘটান।
তার অভিযোগ, একাধিকবার হাতেনাতে ধরার পর বিষয়টি দুই পরিবারকে জানানো হলেও স্ত্রীর পরিবার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পরও একই ঘটনা ঘটে। তিনি আরও দাবি করেন, স্ত্রী পরকিয়া প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলতে বলতে তার ছোট শিশুকে দুধ পান করানোর সময় দুধ শিশুর নাকে উঠে গেলে শিশুটির মৃত্যু হয়। ঐদিন তার স্ত্রী না জানিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান এবং আর ফিরে আসেননি।
নুরনবী বলেন, “স্ত্রীর পরকীয়াজনিত সমস্যা সমাধান না হওয়ায় আমি আদালতের মাধ্যমে ২৬ জুন ২০২৫ সালে আইনানুগভাবে তালাক দেই। তালাকের পর আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তার সম্মানহানি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ছাড়া গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান।সংবাদ সম্মেলনে নুরনবীর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্ত্রী তাঁরা বেগম। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।”
তাঁরা বেগমের মা শাহনাজ বেগম বলেন, “বিয়ের তিন বছর পর জামাতা নুরনবী কাবিনের টাকা পরিশোধ না করেই আমার মেয়েকে ডিভোর্স দিয়েছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।”
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















