
স্টাফ রিপোর্টার:
চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। “মেধা ও সততায় গড়ব সবার বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের শহীদ হাসান চত্বর থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সামনে শেষ হয়।
প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি সাগর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির শান্ত ও মহসিন এমদাদুল্লাহ জামেন।
এছাড়া অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাসুম বিল্লাহ, বায়েজিদ বোস্তামী, আবু রায়হান এবং পারভেজ আলম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি হাফেজ আমিরুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাগর আহমেদ বলেন, ১৯৭৭ সালে ছয়জন মেধাবী ছাত্রের হাত ধরে এই কাফেলার পথচলা শুরু হয়েছিল। আমাদের লক্ষ্য ছিল দেশকে আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত করা।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ৪৯ বছরের পথচলায় এই কাফেলা থেকে অনেক ভাইকে আওয়ামী শাসন আমলে এবং ইতিপূর্বে বিএনপি শাসন আমলে বিভিন্ন সময়ে আমাদের ভাইদেরকে হত্যা করে শহীদ করা হয়েছে। আমরা তাদের জন্য দোয়া করছি আল্লাহ তায়ালা যেন সেসকল ভাইদেরকে শাহাদাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।
তিনি বলেন, এই কাফেলার লক্ষ্য ছিল এই দেশকে আধিপত্যবাদ মুক্ত করা। এই কাফেলার লক্ষ্য ছিল এই দেশটাকে দুর্নীতিমুক্ত করা। যারা আমাদেরকে দমিয়ে দিতে চায়, তাদেরকে আমরা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, কোনো ট্যাগিং দিয়ে আমাদেরকে দমিয়ে দেওয়া যাবে না। ছাত্রশিবির যে আদর্শ নিয়ে পথচলা শুরু করেছে এই আদর্শ দিয়ে গোটা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের মন জয় করবে ইনশাআল্লাহ। ইতিমধ্যে তা প্রমাণিত হতে শুরু করেছে ডাকসু, জাকসু, রাবিসু, চবিসু থেকে। এই ছাত্রশিবিরের ভালোবাসায় সারা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ যখন ছাত্রশিবিরের দিকে ধেয়ে আসছে তখন একটা গোষ্ঠী ঈর্ষান্বিত বোধ করছে। তারা ছাত্রদের ম্যান্ডেট জয় করতে পারে নাই একারণে তারা জুডিশিয়াল সহ নানাবিধ প্রক্রিয়া অ্যাপ্লাই করে তারা ডাকসু নির্বাচন বন্ধ করেছে।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে ছাত্রসমাজের প্রতি ছাত্রশিবিরের ভালোবাসা এবং দেশের শিক্ষাঙ্গনে সংগঠনটির অগ্রগতির কথা তুলে ধরা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















