শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দর্শনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান “ভালোবাসার বন্ধন দর্শনার করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের রোগ মুক্তি কামনায় চুয়াডাঙ্গায় সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে খাবার বিতরণ দর্শনা থানা সেচ্ছাসেবক দলে আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ রাতের আধারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ টি পরিবারের ৫০ ঘর পুরে ছাই চুয়াডাঙ্গার দর্শনা রেল বন্দরে গুলিবর্ষণ গাংনীর গাঁড়াডোব ভাগিনার হাঁসুয়ার আঘাতে মামা আহত গাংনীতে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন মাদক ব্যবসায়ীর কারাদন্ড রাজশাহীর মোহনপুরে ১৮শ’ত স্কুল শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকা প্রদান দর্শনা থানা সেচ্ছাসেবক দলে আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ

চুয়াডাঙ্গায় প্রাকৃতিক রঙিন ফুলের সমারহ দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাড়ী

আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাড়ীকে সাজিয়ে তুলতে কে না চাই। প্রাকৃতিক রঙীন ফুলের সমারহ দৃষ্টিনন্দন একটি ফুলের বাড়ীর সন্ধান মিলেছে চুয়াডাঙ্গায়।

বাড়ীতে ঢুকতেই অভ্যর্থনা জানাবে বাসুরিয়া। এরপর নানান প্রজাতির ক্যাকটাস, সাইকাস, এ্যানিকা পাম্প, চায়না টগর, করবী, কাঠ গোলাপসহ বিভিন্ন ধরণের ফুলে মন রাঙ্গিয়ে দেবে। নিজের বাড়ীটিকে এ রকম নানান ফুলে ফুলে সাজিয়ে একটি ফুলের বাড়ী তৈরী করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের হানুরবাড়াদী গ্রামের মসজিদপাড়ার গৃহবধূ আনজুমান আরা হীরা। তিনি একই এলাকার মুক্তারুজ্জামানের স্ত্রী।

অনেকটা শখের বশেই নিজের বাড়ীটিকে ফুলে ফুলে সাজিয়েছেন। তৈরী করেছেন ফুলের বাড়ী। স্বামী সন্তান সবাই তাঁর এ কাজে সহযোগীতা করেছে। স্ত্রীর শখ পুরনে নিজের ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি বাড়ীতেও স্ত্রীর কাজে সহযোগীতা করেন মুক্তারুজ্জামান। বাড়ীটিকে নিয়ে গর্ব করে এলাকাবাসীরাও। এলাকায় ফুলের বাড়ী বললে এক নামে চেনে সবাই।

গৃহবধু আনজুমান আরা হীরা বলেন, আমার মা সেলিনা আক্তার চায়না ও বড় ভাই প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন তাদের বাড়ীকে বিভিন্ন ফুল দিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন। আমারও খুব ইচ্ছা নিজের বাড়ীকে ফুলে ফুলে স্বপ্নের বাড়ীর মতো করে সাজানো। ২০১৮ সালে বাড়ীতে ফুলের গাছ লাগাতে শুরু করি। যখনই সময় পাই তখনই বিভিন্ন নার্সারীতে যায়। বাড়ীর সকল কাজ শেষ করে বাড়তি যে সময় টুকু পাই ওই সময়টাতে ফুল গাছের পরিচর্যা করি। এলাকার অনেকে আমার ফুলের বাগান দেখতে আসে। এরকম একটি বাগান করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি।

মুক্তারুজ্জামান বলেন, আমার স্ত্রীর খুব ইচ্ছা ছিল একটি ফুলের বাড়ী বানাবে। ফুল দিয়ে সাজানো বাড়ীর মাঝখানে তার বাড়ী হবে। তার চারপাশে ফুলের গাছ থাকবে। দিনে রাতে যখনই সময় পাই ফুলের পরিচর্চা করে আমার স্ত্রী।
একমাত্র মেয়ে চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী তাবাসসুম সিথি বলে, ফুলের পরিচর্চা করতে আমার খুবই ভালো লাগে। এমন একটা বাড়ী নিয়ে আমরা গর্ব করি।

এলাকাবাসীরা বলেন, আমাদের গ্রামে একটি ফুলের বাড়ী আছে। সেটাকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি। আমাদের সবারই উচিত প্রতিটা বাড়ীকেই এমন করে সাজানো।

গৃহবধূ আনজুমান আরা হীরার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ ড. আব্দুল মাজেদ বলেন, শুনেছি চুয়াডাঙ্গার হানুরবাড়াদী গ্রামে একটি ফুলের বাড়ী আছে। আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাই। আমরা তাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করবো এবং এটাকে আরও উন্নত করার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক তাদের পাশে থাকবো। প্রয়োজনে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে একটুও কার্পন্ন করবো না।

আহসান আলম/সিহাব হাসান উৎসব

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি