শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দর্শনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান “ভালোবাসার বন্ধন দর্শনার করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের রোগ মুক্তি কামনায় চুয়াডাঙ্গায় সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে খাবার বিতরণ দর্শনা থানা সেচ্ছাসেবক দলে আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ রাতের আধারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ টি পরিবারের ৫০ ঘর পুরে ছাই চুয়াডাঙ্গার দর্শনা রেল বন্দরে গুলিবর্ষণ গাংনীর গাঁড়াডোব ভাগিনার হাঁসুয়ার আঘাতে মামা আহত গাংনীতে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন মাদক ব্যবসায়ীর কারাদন্ড রাজশাহীর মোহনপুরে ১৮শ’ত স্কুল শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকা প্রদান দর্শনা থানা সেচ্ছাসেবক দলে আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ

সাতছড়িতে মিলল ১৫ রকেট প্রপেলড গ্রেনেড ও ৫১০ রাউন্ড গুলি

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অভিযান আজকের মতো সমাপ্ত হয়েছে। আগামীকালও অভিযান পরিচালিত হতে পারে।

তিনি জানান, আজকের অভিযানে ১৫টি মর্টার শেল, ২৫টি বুস্টার ও ৫১০ রাউন্ড অটো মেশিনগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, রোববার রাত ৩টা থেকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১৫টি রকেট প্রপেলড গ্রেনেড ও চার বাক্স গুলি উদ্ধার করা হয়। বাক্সগুলোতে ৫১০ রাউন্ড গুলি রয়েছে- যা ভারী মেশিনগানে ব্যবহার করা হয়।

বর্তমানে উদ্যানের ভেতরে আরেকটি স্থানে অভিযান চলছে বলেও জানান ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান। সেখানেও অস্ত্র পাওয়া যেতে পারে বলে তার ধারণা।

এর আগে, চলতি বছরের গত ২ মার্চ হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অভিযান চালিয়ে ১৮টি কামান বিধ্বংসী রকেট শেল উদ্ধার করে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে আরো একটি স্থানে অস্ত্র-গোলাবারুদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট

২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, একটি বেটাগান, ছয়টি এসএলআর, একটি অটোরাইফেল, পাঁচটি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‍্যাব।

ওই বছরের ১৬ অক্টোবর চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহীন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগাজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরদিন (১৭ অক্টোবর) দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, থ্রি নট থ্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

পঞ্চম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর ষষ্ঠ দফায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি