শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দর্শনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান “ভালোবাসার বন্ধন দর্শনার করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের রোগ মুক্তি কামনায় চুয়াডাঙ্গায় সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে খাবার বিতরণ দর্শনা থানা সেচ্ছাসেবক দলে আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ রাতের আধারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ টি পরিবারের ৫০ ঘর পুরে ছাই চুয়াডাঙ্গার দর্শনা রেল বন্দরে গুলিবর্ষণ গাংনীর গাঁড়াডোব ভাগিনার হাঁসুয়ার আঘাতে মামা আহত গাংনীতে ভ্রাম্যমান আদালতে তিন মাদক ব্যবসায়ীর কারাদন্ড রাজশাহীর মোহনপুরে ১৮শ’ত স্কুল শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকা প্রদান দর্শনা থানা সেচ্ছাসেবক দলে আয়োজনে দোয়া ও মিলাদ

শীত জেঁকে বসায় চুয়াডাঙ্গায় কুমড়া বড়ি তৈরীর ধুম

dailyamaderchuadanga ফাইল ফটো

————————————————————————————————————————–
চুয়াডাঙ্গায় কুমড়া বড়ি তৈরীর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন শহর ও গ্রামের নারীরা। শীতের আগমনের সাথে সাথে কুমড়া বড়ি তৈরীর ব্যস্ততা বেড়েছে চুয়াডাঙ্গার নারীদের মাঝে। কুমড়া বড়ি তৈরীর উপযুক্ত সময় শীতকাল। প্রতিবছর শীত মৌসুমে কুমড়ার বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত থাকেন এখানকার নারীরা। কুমড়া বড়ি তরকারীর সঙ্গে রান্না করে খাবারের একটি মুখরোচক উপাদন। এতে তরকারীর স্বাদে যোগ হয় নতুন মাত্রা। মাষকলাই ভিজিয়ে সেই ডালের সঙ্গে পাকা চালকুমড়া মিশিয়ে তৈরী করা হয় এ সুস্বাদু বড়ি। শীতের সময় গ্রামের প্রায় ৮০ ভাগ মহিলা পালা করে বড়ি তৈরী করার কাজটি করে থাকেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‘প্রতিবছর শীতের সময়ে ভোর থেকেই পাড়া-মহল্লার নারীরা বাড়ীর ছাদে একত্রে দল বেঁধে, আবার কেউ কেউ মাটিতে মাদুর বিছিয়ে বড়ি তৈরীর কাজে ব্যস্ত সময় পার করেন।’ গ্রামের নারীরা এই বড়ি তৈরী করার জন্য বেশ ক’এক মাস আগে থেকে চাহিদামতো পাকা চালকুমড়া সংগ্রহ করেন। কুমড়া বড়ি তৈরীতে মূলত চালকুমড়া এবং মাষকলাইয়ের ডাল প্রয়োজন হয়। কালাইয়ের ডালের সঙ্গে চাল কুমড়ার পরিবর্তে অনেকে মূলা, পিয়াজ অথবা পেঁপে ব্যবহার করেন। মচমচে করে রোদে শুকাতে পারলে এই বড়ির ভালো স্বাদ পাওয়া যায়।
বড়ি তৈরী করার বিষয়ে তালতলা গ্রামের হাসিনা বেগম জানান, বড়ি তৈরীর আগের দিন ডাল ভিজিয়ে রাখতে হয়। চালকুমড়া ছিলে ভেতরের নরম অংশ ফেলে মিহিভাবে কুচি করে রাখতে হয়। এরপর কুমড়া খুব ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে বেঁধে সারা রাত ঝুলিয়ে রাখতে হয়। অন্যদিকে, ডালের পানি ছেঁকে শিলপাটায় বেটে অথবা মেশিনে মাড়াই করে মাষকালাই ও কুমড়া মিহি করতে হয়। এরপর বাটা ডালের সঙ্গে কুমড়ো মেশাতে হয়। যতক্ষণ না ডাল-কুমড়োর মিশ্রণ হালকা হয়, ততক্ষণ খুব ভালো করে হাত দিয়ে এ মিশ্রণ মিশাতে হয়। এরপর কড়া রোদে চাটি বা কাপড় বিছিয়ে বড়ির ছোট ছোট আকার দিয়ে একটু ফাঁকা ফাঁকা করে সারি সারি বসিয়ে শুকাতে হয়। এভাবে বড়ি তিন থেকে চার দিন রোদে শুকিয়ে অনেক দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এ বড়ি নিজেদের খাওয়াসহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতেও পাঠানো হয়।’
সাব্বির হোসেন পল্টন/ এ.এইচ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি