শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
গাংনীতে সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারালেন ৬০ উধো্ এক নারী মেহেরপুর সড়ক দুর্ঘটনায় ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় কর্মী নিহত , আহত-৩ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সাথে বিভিন্ন শ্রমিক নেতাদের মতবিনিময় গাংনীতে একজন মাদক কারবারীর কারাদন্ড স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব –জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আমঝুপির মাঠে কলার কাঁদি কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুকুট মণি সম্মানে ভূষিত হওয়ায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল মেহেরপুরের রানা ১৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন নির্দেশিকা শিঘ্রই: তথ্যমন্ত্রী

খুলে দিয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ গেট

গত কয়কদিনের ভারি বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে হঠাৎ করে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৩৫ সেঃমিঃ উপড়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তার তীরবর্তি পরিবার গুলো পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এতে করে পরিবারগুলো দুর্বিস জীবনযাপন করছে।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৯৫ সেন্টিমিটার। যা স্বাভাবিকের (৫২.৬০ সেঃমিঃ) চেয়ে ৩৫ সেঃমিঃ উপড় দিয়ে প্রাবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় শতাধিক পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন। পানি নিয়ন্ত্রণ করতে ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন র্বোড।

জানা গেছে, গতকয়কদিন থেকে বৃষ্টির পানি বেশি হওয়াতে ভারত গজল ডোবা ব্যারেজের অধিকাংশ গেট খুলে দেয়। এতে করে তিস্তার পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। শুক্রবার ভোর থেকে থেকে পানি বৃদ্ধি হতে থাকে। ফলে তিস্তার পানিতে পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত বহুল আলোচিত বিলুপ্ত ছিটমহল আঙ্গোরপোতা-দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চর,আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, সদর উপজেলার রাজপুর, খুনিয়াগাছ, গোকুন্ডা ইউনিয়ন ও কালীগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের এলাকার প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

এ ছাড়াও তিস্তার পানি বৃদ্ধির সাথে ছোট নদ-নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। কিছু কিছু স্থানে দেখা গিয়েছে নদী ভাঙন। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বালুর বস্তা দিয়ে চেষ্টা চলছে ভাঙন ঠেকানোর। নতুন করে ভাঙন আতঙ্কে অনেকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিরাপদ দূরত্বে আশ্রয় নিচ্ছেন। কয়কবার বন্যায় কবলে পড়ে গেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেউ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান।

হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী তীরবর্তী পানিবন্দিরা জানান, বন্যার পানি নামতে না নামতেই চতুর্থবার বন্যার পানিতে বন্দি হয়ে পড়েছেন তারা। আবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন। তাই দ্রুত তিস্তার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবী করেন।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, কয়কদিনের টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা ও ছোট নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তিস্তার পানি বিকেল হতেই কমে যেতে পারে। সূত্র: খোলাকাগজ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT