সোমবার, ২১ Jun ২০২১, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
এবার ‘বাড়ীর কাজে’ শিক্ষার্থী মূল্যায়ন, বাতিল হচ্ছে পিইসি পরীক্ষা: বাতিল হতে পারে ইইসি, জেএসসি ও জেডিসিও ‘অন্যের চাকরির উৎস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে’ ভূমিধস বিজয়ে ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসি ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ হত্যা করে ৯৯৯ নম্বরে ফোন, ‘বাবা, মা, বোনকে খুন করেছি, আইস্যা নিয়া যান’ চুয়াডাঙ্গায় করোনায় আক্রান্ত আরও ৩ জনের মৃত্যু: নতুন সংক্রমণ ৬৮ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকা ও আলুকদিয়া ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষণা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকালে বাংলাদেশী ২৫ নাগরিক আটক সলঙ্গায় ২০০ মিটার নতুন পাকা রাস্তা পেয়ে আনন্দিত এলাকাবাসী নবীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মুকুলের পরিবারের আর্ত্মনাদ

মেহেপুরের গাংনীতে দীর্ঘ ৬ মাস পরে খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় শুরু

মেহেরপুরের গাংনীতে দীর্ঘ ৬ মাস পরে খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় শুরু করা হয়েছে। এর আগে উপজেলা খাদ্যশষ্য সংরক্ষণ ও মনিটরিং কমিটি লটারীর মাধ্যমে খাদ্য গুদামে ৬ মাসেও ১ কেজি ধানও ক্রয় করতে পারেনি। বিগত নভেম্বর‘২১ মাসের ২৬ তারিখে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা খাদ্যশষ্য সংগ্রহ কমিটির সদস্যদের নিয়ে চলতি মৌসুমে আমন ধান সংগ্রহ বিষয়ক বিশ্লেষন করা ও প্রকৃত ধান চাষীদের নিকট থেকে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যে সভা করা হলেও অদ্যাবধি ১কেজি ধানও ক্রয় করা সম্ভব হয়নি।
সম্প্রতি ধান ক্রয় শুরু হয়েছে। তবে প্রকৃত চাষীরা কেউ ধান নিয়ে খাদ্য গুদামে আসছে না। রাজনৈতিক নেতাদের আর্শ্বিাদপুষ্ট কতিপয় ব্যবসায়ী অফিস ম্যানেজ করে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধান আমদানী করে খাদ্য গুদামে দিচ্ছে।সরেজমিন ঘুরে প্রকৃত চাষীদের একজন কেউ দেখা যায়নি।কাগজ কলম ঠিক রেখে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে সুবিধা বাদীরা।
জানা গেছে, গাংনীতে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তার করে উপজেলার বাইরে থেকেও ধান সংগ্রহ করে গুদামে বিক্রি করছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অফিস ও নেতাদের মধ্যে কমিশনের চুক্তিতে ধান ক্রয় করা হচ্ছে।কোন কোন ক্ষেত্রে আবর্জনা ও নরম ধানও ক্রয় করা হচ্ছে।
সরকারী মূল্যের চেয়ে খোলা বাজারে ধানের দাম বেশী হওয়ায় ধান চাষী ও ব্যবসায়ীরা খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ করেনি। খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ধানের মন প্রতি সরকারী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮০ টাকা। অপরদিকে খোলা বাজারে ধান বিক্রয় করা হচ্ছে ১১ শ’ টাকা থেকে সাড়ে ১১ শ’ টাকা করে। সে কারনে গোডাউনে কেউ ধান দিতে আগ্রহ প্রকাশ করছে না।
খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গাংনী উপজেলায় লটারীর মাধ্যমে ১ হাজার ১০৬ জন ধান চাষীর নিকট থেকে (এক টন হিসাবে) ১ম পর্যায়ে ৭৩৫ মে.টন ধান ক্রয় করা হবে। সে ক্ষেত্রে লটারীকৃত ১ হাজার ১০৬ জন চাষী তাদের উৎপাদিত ধান সরকারী মূল্যে গুদামে দিতে পারবেন।
এব্যাপারে খাদ্য গুদামের ওসিএলএসডি হাসান সাব্বির জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে ধান ক্রয় শুরু করা হয়েছে। চাষীদের কার্ডে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। আবার চাষীদের ব্যাংক হিসাবে টাকা দেয়া হচ্ছে। কে ধান দিচ্ছে তা আমরা দেখবো না। আমরা দেখবো শুধু লটারী প্রাপ্ত চাষী কিনা।
এক্ষেত্রে উপজেলার ৯ টি ইউপি ও পৌরসভা খেকে উল্লেখিত সংখ্যক চাষীরা তাদের উৎপাদিত ধান বিক্রয় করতে পারবেন।গত ডিসেম্বর’২০ মাসের শুরু থেকে ফেব্রুয়ারি’২১ মাসের শেষ তারিখ পর্যন্ত স্বচ্ছভাবে ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হলেও ৬ মাসেও ১ কেজি ধান খাদ্য গুদামে ক্রয় করা সম্ভব হয়নি। খাদ্য বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধান ক্রয় না হওয়ায় সরকারীভাবে চালের সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে।

 

আমাদের চুয়াডাঙ্গা/এ.এইচ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT