রবিবার, ২৫ Jul ২০২১, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

চাঁদপুরে ২০ বছর কারাভোগ করার পর শতবর্ষী এক নারী আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত

হবিগঞ্জ ব্যুরো প্রধানঃ 

অহিদুন্নেসা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর ছাড়া পেয়েছেন কাশিমপুর জেল থেকে।কারা কর্তৃপক্ষ বলছেন, ছাড়া পাওয়ার সময় যারা তার মুক্তির জন্য ভূমিকা রেখেছেন। তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলেন, কারাগারের ভেতরেই মারা যেতে হয় কিনা এরকম একটা বিষয় তার মাথায় সবসময় কাজ করতো। যেহেতু তার অনেক বয়স হয়েছিলো। তার চলাফেরায় অসুবিধা হতো। কিন্তু, মুক্তি পাওয়ার আগেই দৃষ্টিশক্তি প্রায় পুরোটাই হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। জেলে থাকা অবস্থাতেই স্বামী ও এক সন্তানকে হারিয়েছেন। তবে, মৃত্যুর আগে অন্তত মুক্তির স্বাদ পেলেন। সোনার বাংলাদেশে অহিদুন্নেসার মতো হাজারো নিরীহ মানুষ কে মিথ্যে মামলা দিয়ে প্রতিদিনেই ফেসে যাচ্ছে বিশ বছর, দশ বছর জেল খাটার পর প্রমাণীত হয় সে নির্দোষ। কোথায়ও দেখা যায় আসামীদের ১৬৪ধারায় আসামীরা জবান বন্দীতে নিজের দোষ স্বীকার করে। সাজাও হয়। অথচ দশ বছর পর যাকে হত্যার দ্বায় সাজা খাটলো সে বাড়ীতে ফিরে আসলো এটা কি ভাবে সম্ভব। এটা তদন্তে উদাসীনতা, বা তদন্তকারী কর্মকর্তা আর্থিক লাভবান হইয়া বা বিনা পরিশ্রমে দ্বায় মুক্তি নিতে আদালতে তড়ি ঘড়ি করে ভালভাবে তদন্ত না করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। আর মাননীয় আদালত প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করেই তো বিচার কার্য পরিচালনা করেন । এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু, তদন্তকারী অফিসারদের কেন আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না আর কত মায়ের বছরের পর বছর এইভাবে কেটে যাবে অন্ধকার কারাগারে। কবে টনক নড়বে? কে দিবে ফিরিয়ে তার বিশ বছর। তার জীবনের মুল্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা কি রাখে ? কেন এত নিষ্টুরতা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। পাশাপাশি দাবী জানাই কারাগারে এই রকম হয়তো হাজার নিরপরাধ ব্যক্তিও রয়েছেনে । একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন সব ই তো আর মিডিয়ায় প্রকাশ হয় না।

গণমাধ্যমে নিউজ আসে কয়জনের এবং টাকার নিকট সত্য গোপন। সরকার ও প্রশাসন এর প্রতি জোর দাবী করছি। খতিয়ে দেখার জন্য।

গত ২০১৯ ইং সালে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগমের অফিসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি টাঙানোর কথা বললে, আমাকে অপমান করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার মানসম্মান ধুলোর সাথে মিশিয়ে দেয় প্রতিপক্ষ।আমি মানহানীর মামলা দায়ের করলে। মেরে ফেলার জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠেন। তিনদিন পরে থানা কে বিষয়টি জানাতে আসলে, থানাতে বসিয়েই অবৈধ শক্তি ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র মুলুক মিথ্যে মামলা গলায় ঝুলিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনমাস আমি একজন অসুস্থ ব্যক্তি হয়ে এবং মানবাধিকারের কর্মঠ কর্মী হয়েও বন্দী ছিলাম।

 

ফরজুন আক্তার মনি/এ.এইচ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT