বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ১২:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে ঝিনাইদহের ৬টি পৌর এলাকায় বিশেষ বিধি নিষেধ জারী সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মেহেরপুরে মানববন্ধন আজ প্রিয় ঋতু বর্ষার প্রথম দিন চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য সচেতনতার বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে কোলড্রিংস ভেবে বিষপানে শিশুর মৃত্যু মেহেরপুরের ৩টি গ্রাম লকডাউন ঘোষণা, রাজশাহীগামী বিআরটিসি বাস বন্ধ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১৪দিনের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৫০ জনের করোনা শনাক্ত চুয়াডাঙ্গায় ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে বিপাকে প্রতিবন্ধী পিতা, চান আর্থিক সহায়তা

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ৬টি বাড়ী আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত : ২০ লাখ টাকা ক্ষতি

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া ভেড়ামারা পৌরসভার ফারাকপুর গ্রামের ঝুড়ি পাড়ায় ২৭ মার্চ শনিবার দুপুরে রান্নাঘরের আগুন থেকে সূত্রপাত হয়ে ৬টি বাড়ী আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত হয় যার আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ ২০ লাখ টাকা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারা পৌরসভার ফারাকপুর গ্রামের ঝূড়ি পাড়ার কোরবান সর্দার ও আমীর হোসেন আমীরের বসত বাড়ীর ৬টি ঘর রান্নাঘর থেকে আগুন ধরে সমস্ত বাড়ি মুহুর্তেই পুড়ে ছাই। ৬টি ঘরের মধ্যে থাকা সমস্ত আসবাব পত্র, খাদ্য সামগ্রী, কবুতর, মুরগী এবং নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুড়ে যায়। রাখে আল্লাহ মারে কে, সবকিছু যখন পুড়ে ছাই তখন কোরআন শরীফ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল, পৌরসাভার মেয়র আনোয়ারুল কবির টুটুল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ভেড়ামারা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শামিমুল ইসলাম ছানা, ভেড়ামারা পৌরসভার প্যানেল মেয়র নাঈমুল হক, ফিরোজ আলী মৃধা, শিল্পপতি জাকির হোসেন বুলবুল প্রমুখ।
ভেড়াামরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন উপজেলার নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ, ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র আনোয়ারুল কবীর টুটুল পুড়ে ছাই ৬টি পরিবারের ২০জন সদস্যদের মাঝে তাৎক্ষণিক ভাবে হাড়ি, পাতিল, খাদ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা করেন। শিল্পপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন বুলবুল তাৎক্ষণিক ভাবে কোরবান সর্দার ও আমীর হোসেন আমীর কে নগদ টাকা ও সার্বিক সহযোগিতার আম্বাস দেন।
ভেড়ামারা উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার মকলেছুর রহমান বলেন, আমরা ধারণা করছি রান্নার ঘরের আগুন থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ২টি গাড়ীর টাংকির পানি ফুরিয়ে যাওয়ার পরে আশে পাশে পুকুরে কোন পানি না থাকায় দূর থেকে পানি আনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশী হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ কোরবান আলী বলেন, আগুন যখন আমার বাড়ীতে লাগে তখন বাড়ীতে কেহই ছিল না। ফলে বাড়ী থেকে একটি সূতা পর্যন্ত বের করতে পারি নাই এমকি একবেলা খাওয়ার চাউল পর্যন্ত নেই সমস্ত পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমরা এখন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছি। আমরা সরকার এবং বিত্তবানদের কাছে আকুল সহযোগীতা কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT