শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের টেকসই-দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনায় ডিসি ইকোপার্কটি ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমভাবে কাজ শুরু : বাস্তবায়নের ফলে পরিণত হতে চলেছে দেশের এ প্রান্তিক জনপদ একটি পর্যটন এলাকায়

ষ্টাফ রিপোর্টার:

সর্বপ্রথম নদীয়া এষ্টেটেরজমিদার শ্রী নফর চন্দ্রপাল চৌধুরী ১৮৯৫ সালে শিবনগরের বৃহৎ এলাকা জুড়ে আম, কাঁঠালও লিচু গাছের সমন্বয়ে এ বাগানটি তৈরী করেন। পরবর্তীতে সুদীর্ঘকাল অরক্ষিত অবস্থায়পরে থাকার পর ২০১৪ সালে দামুড়হুদা উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদুর রহমান তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে তালসারী, আমবাগান ও বাগান সংলগ্ন বটতলী বিল জুড়ে একটি ইকোপার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।


বাগান ও লেক মিলে প্রায় ১২৮ একর জায়গা জুড়ে ইকোপার্কটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এ জেলায় কর্মরত জেলা প্রশাসকগণ ইকোপার্কটির উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রমগ্রহণ করেন কিন্তু কোন সমন্বিত পরিকল্পনা ছিল না। বর্তমান জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ইকোপার্কটিকে ঘিরে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা (মাষ্টারপ্ল্যান) প্রণয়ন করেছেন, যার আওতায় পার্কটির পুরো এলাকা জুড়ে ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমিক ভাবে কাজ শুরু করা হয়েছে। গতানুগতিক কাজের বাইরে গিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সরাসরি ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমন্বিত পদ্ধতিতে ইকোপার্কের উন্নয়ন কাজ চলমান। সুপরিকল্পিত লে-আউট প্লান তৈরীর লক্ষ্যে পার্কটির পুরো এলাকা জুড়ে ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পার্কটিকে ঘিরে গৃহীত মহাপরিকল্পনা (মাষ্টারপ্ল্যান) বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমিকভাবে কাজ শুরু করা হয়েছে।


গৃহীত মহাপরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ, লে-আউটের ত্রিমাত্রিক ছবি, ইতোমধ্যে সম্পন্নকৃত কাজের ছবিসহ পূর্ণাঙ্গ বিবরণ নিয়ে একটি বই প্রকাশ করা হয়েছে। ডিসি ইকোপার্ক বাস্তবায়নের ফলে দেশের এ প্রান্তিক জনপদ একটি পর্যটনভাবে পরিণত হচ্ছে। ডিসি ইকোপার্কের মাত্র ৮ কি.মি. দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক মুজিবনগর এবং এর অদূরেই রয়েছে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত আটচালা ঘর, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত আটজন শহীদের কবর এবং এ জেলার পাশেই রয়েছে লালন ফকিরের স্মৃতিধন্য কুষ্টিয়া। ডিসি ইকোপার্ক কেন্দ্রিক একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠায় এ তিনটি পর্যটন এলাকা মিলে একটি পর্যটন জোনে পরিণত হয়েছে যা ইতোমধ্যে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হয়েছে।

 

আহসান আলম/এ.এইচ

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT