শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৫৯ অপরাহ্ন

ঢাকায় বডিগার্ড নিয়ে ঘোরা মনিরুজ্জামানকে খুলনা থেকে গ্রেফতার করেছে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ

ষ্টাফ রিপোর্টার: নিজেকে হোমরা চোমরা বোঝানোর জন্য তিনি ঢাকায় ঘুরতেন বডিগার্ড নিয়ে। এভাবেই শিকার খুঁজতেন। ফাঁদে যাঁরা পা দিতেন তাঁদের বোঝানো হতো, আমেরিকা-কানাডায় পাঠানো কোনো ব্যাপার না। সরকারী চাকরীরও ব্যবস্থা করা যাবে। এই কৌশলে তিনি মোটা অংকের টাকা নিতেন কখনো নিজের ব্যাংক একাউন্টে, কখনো বা নগদ। তারপর দিতেন গা ঢাকা।
শেষপর্যন্ত তিনি গ্রেফতার হলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশের হাতে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা পুলিশের একটি টিম এস এম মনিরুজ্জামানকে খুলনার দৌলতপুরের তার ভাড়া বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সন্ধ্যায় মনিরুজ্জামানকে পুলিশ নিয়ে আসে চুয়াডাঙ্গা থানায়।
অভিযুক্ত প্রতারক এস.এম মনিরুজ্জামান খুলনার দিঘলিয়ার মৃত সামসুল হকের ছেলে। তিনি ঢাকার বিজিএন সাহা রোড লালমাটিয়ার ঠিকানা ব্যবহার করতেন। খুলনার দৌলতপুরে একটি বাসা ভাড়া করা ছিল তাঁর। সেখানে থাকতেন অনেকটা আত্মগোপনে। বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থেকে প্রতারণার শিকার খুঁজতেন। এভাবেই তিনি চুয়াডাঙ্গার জজকোর্টের আইনজীবী বদরউদ্দিনের কাছ থেকে তাঁর ছেলেকে আমেরিকা-কানাডা-অস্ট্রেলিয়ার কোথাও পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে নিয়েছিলেন ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। টাকা নেওয়ার জন্য এস এম মনিরুজ্জামান নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়েছিলেন। টাকা নেওয়ার পর এক পর্যায়ে এস এম মনিরুজ্জামান তার মোবাইলফোনের সীম বদলে ফেলেন।
মামলার আসামী এস এম মনিরুজ্জামানের নামে অ্যাডভোকেট বদরউদ্দিন চুয়াডাঙ্গার আমলী আদালতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয় এস এম মনিরুজ্জামান ও তার সহযোগি চুয়াডাঙ্গার নীলমনিগঞ্জের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে শাহনেওয়াজ বাচ্চুকে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আহসান মামলার আসামি এস এম মনিরুজ্জামানের অবস্থান খুঁজে বের করেন এবং বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার দৌলতপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে আসেন। আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি