মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গায় ২১ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে দালালসহ আটক-২৮ ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এমপি চঞ্চল কালীগঞ্জে মসজিদের ইমামদের আর্থিক অনুদান প্রদান ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিক সেবায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি চুয়াডাঙ্গায় আলমসাধুর ধাক্কায় ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু লক্ষ্যকোটি মানুষের ভালোবাসার মাঝে, সর্বোচ্চ মা’য়ের ভালোবাসা- আলী মুনছুর বাবু চুয়াডাঙ্গায় মুড়ি প্রস্ততকারী মেসার্স ইনসাফ ট্রেডার্সকে জরিমানা চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বোরো ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন  শেখ নজরুল ইসলাম

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান

হাফিজুর রহমান :
আজ একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২:০১ মিনিটের সময় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চুয়াডাঙ্গা সদর নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগন।

এ সময় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি’ গানের সুর বাজতে থাকে। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ভাষা আন্দোলন দমন করতে ১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল করেন। সেই মিছিলে গুলি চলে। গুলিতে শহীদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার। তাঁদের স্মরণেই দেশবাসী এই শহীদ মিনারের সামনে এসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফুলে ছেয়ে যায় মিনারের বেদি। মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতীয় জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ভাষার দাবিতে পৃথিবীর একমাত্র বাঙালি জাতি প্রাণ দিয়েছেন। অতীত থেকেই আমরা শোষণ এবং বঞ্চনার শিকার। পরবর্তীতে যখন পাকিস্তানি সরকার আমাদের ভাষার উপর আঘাত হানল তখন আমাদের দেশের ছাত্র সমাজ এবং অন্যান্য সকল পর্যায়ের মানুষ সেই দাবি মেনে নেয়নি। কেননা মাতৃভাষার প্রতি কথা বলার দাবি যদি কেড়ে নেওয়া হয় তাহলে কোন জাতি কখনো তা মেনে নিতে পারে না। সেই লক্ষ্যে মাতৃভাষাকে উজ্জীবিত করার জন্য ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি দামাল ছেলেরা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন করে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT