শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কৃষকের লাশ উদ্ধার গাংনীতে এক কৃষককে ফাঁসানোর অভিযোগ আজ ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস ॥ সীমিত পরিসরে পালনের প্রস্তুতি উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান টুপি সহিদুলের কিল-ঘুষিতে বৃদ্ধ ইস্রাফিল নিহত জুয়ার আসর থেকে নগদ টাকা-জুয়াখেলার সরঞ্জামসহ গ্রেফতার-২ বেগমপুরের হরিশপুর সড়কের গাছ চুরিকালে চোর পাকড়াও দামুড়হুদার ডুগডুগী কাঁচাবাজার তদারকী করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা চুয়াডাঙ্গায় করোনা পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ সবজি ভ্যান কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীর কাজীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪টি বসতবাড়ী ভস্মীভূত ॥ ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ঝিনাইদহের গণিত-পদার্থ বিজ্ঞানের এক সময়ের মেধাবী ছাত্রের দিন কাটে পথে পথে

মেহেরপুর মোমিন পুুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের গোপালগঞ্জের টুুংগী পাড়ায় শিক্ষা সফর

কামাল হোসেন খাঁন, বিশেষ প্রতিনিধি:

মেহেরপুর সদর উপজেলার মোমিনপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিবার নিয়ে গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ায় ১৭ ফেব্রয়ারী বুধবার শিক্ষা সফর আয়োজন করা হয়। এসময় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাব্বারুল ইসলাম টুঙ্গিপাড়া ইতিহাস সম্পর্কে বলেন। মধুমতির কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে গোপালগঞ্জ এর সভ্যতা-সংস্কৃতি-অবকাঠামো। ব্রিটিশ শাসন আমলের পূর্বে এ এলাকাটি বঙ্গীয় সমতট অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩) সময় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর ছিল যশোর জেলার অন্তর্গত আর বাকি অংশ ছিল ফরিদপুর জেলার সঙ্গে। ১৮০৭ সালে মুকসুদপুর থানা যশোর থেকে ফরিদপুরের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ১৮১১ সালে ফরিদপুর শহরে কোর্ট বিল্ডিং নির্মিত হয়। এ সময়কে ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা কাল ধরা হয়। চন্দনা ও মধুমতি নদী যশোর ও ফরিদপুর জেলার মধ্যকার বিভক্তি রেখা হিসেবে পরিগণিত হয়। তখন গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর এলাকা ছিল বিশাল জলাভূমি। এখানে নৌ-ডাকাতির প্রকোপ ছিল বেশী। তাই ১৮৫৪ সালে মাদারীপুরে একটি মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগে মাদারীপুর অঞ্চল ছিল বাকেরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত। ১৮৭১ সালে গোয়ালন্দ মহকুমা সৃষ্টি হয়। ১৮৭২ সালে মাদারীপুর মহকুমায় গোপালগঞ্জ নামে একটি থানা গঠিত হয়। ১৮৭৩ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে বাকেরগঞ্জ জেলা থেকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ১৯০৫ সালে ফরিদপুর জেলা ছিল বাংলার আসাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।১৯১২ সালে এটি অবিভক্ত বাংলার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। ১৯০৯ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে ভেঙ্গে গোপালগঞ্জ মহকুমা গঠন করা হয়। গোপালগঞ্জ এবং কোটালীপাড়া থানার সঙ্গে ফরিদপুর মহকুমার মুকসুদপুর থানাকে নবগঠিত গোপালগঞ্জ মহকুমার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭০ সালে কিন্তু এটি শহরে উন্নীত হয় পরে। গোপালগঞ্জ মহকুমার প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন জনাব সুরেস চন্দ্র সেন। ১৯১০ সালে মহকুমা অফিসারের বেঞ্চ কোর্ট উন্নীত হলো ফৌজদারী কোর্টে। ১৯২৫ সালে সিভিল কোর্ট চালু হয়। ১৯০৯ সালে মহকুমা হওয়ার পরে গোপালগঞ্জের আয়তনের কোন পরিবর্তন হয়নি। তবে এর থানা সংখ্যা ০৩ থেকে ০৫ এ উন্নীত হয়। ১৯৩৬ সালে মুকসুদপুর থানার অংশ থেকে কাশিয়ানী থানা গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে গোপালগঞ্জ সদর থানাকে ভেঙ্গে টুংগীপাড়া নামক নতুন একটি থানা গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। গোপালগঞ্জের প্রথম জেলা প্রশাসক ছিলেন এ. এফ. এম. এহিয়া চৌধুরী। বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা ০৫ টি উপজেলা, ০৫ টি থানা, ০৪ টি পৌরসভা, ৬৮টি ইউনিয়ন এবং ৬১৮ টি মৌজা নিয়ে গঠিত। বর্তমানে শেখ ইউসুফ হারুন জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT