বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ১১:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ইন্তেকাল করেছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কৃষকের লাশ উদ্ধার গাংনীতে এক কৃষককে ফাঁসানোর অভিযোগ আজ ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস ॥ সীমিত পরিসরে পালনের প্রস্তুতি উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান টুপি সহিদুলের কিল-ঘুষিতে বৃদ্ধ ইস্রাফিল নিহত জুয়ার আসর থেকে নগদ টাকা-জুয়াখেলার সরঞ্জামসহ গ্রেফতার-২ বেগমপুরের হরিশপুর সড়কের গাছ চুরিকালে চোর পাকড়াও দামুড়হুদার ডুগডুগী কাঁচাবাজার তদারকী করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা চুয়াডাঙ্গায় করোনা পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ সবজি ভ্যান কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীর কাজীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪টি বসতবাড়ী ভস্মীভূত ॥ ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত: মন্ত্রী মোজাম্মেল হক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের ‘জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে’ মন্তব্য করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, সেসব প্রমাণ ‘যথাসময়ে’ জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।

রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমরা বলছি যে, জিয়াউর রহমান সাহেব বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত। সেই হিসেবে আমরা তাকে খুনি হিসেবে বলেছি। তার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে তিনি খুনের সাথে জড়িত নয়। আমরা জবাবে বলেছি, তার কী সম্পৃক্ততা আছে সেটার দালিলিক প্রমাণ ও তথ্যাদিসহ আমরা জাতির কাছে উপস্থাপন করব।”

সংবিধান লঙ্ঘন, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের দেশত্যাগে সহায়তা এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের কারণে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের প্রস্তাব করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

বিএনপি ওই সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। জামুকার ওই এখতিয়ার আছে কি না, সেই প্রশ্নও তারা তুলেছেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, জামুকা এ বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

“প্রস্তাব, এটা তো আপনারা দেখেছেনই। আমরা তো প্রস্তাবের মালিক, আমরা প্রস্তাব করেছি।”

আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “বিএনপির মূল কথা হল, তিনি (জিয়াউর রহমান) হত্যার সঙ্গে জড়িত নন। আমরা বলেছি, তিনি যে বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত আমাদের কাছে তার প্রমাণ আছে। আমরা ইনশাআল্লাহ যথাসময়ে প্রমাণসহ জাতির সামনে পেশ করব। ওয়েট অ্যান্ড সি।”

মুক্তিযুদ্ধে একটি সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করা জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে সেনাপ্রধান হন।

৭ নভেম্বরের সামরিক অভ্যুত্থানের পর শাসন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তখনকার মেজর জেনারেল জিয়া। ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি হন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।

১৯৭৭ এর ২১ এপ্রিল বিচারপতি আবু সাদাত সায়েমকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যেতে হয়, জিয়া তখন ওই দায়িত্বও নেন।

সে সময় জিয়ার সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টায় একটি গণভোটের আয়োজন করা হয়, যাতে ৯৮.৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ার দাবি করা হয়।

সামরিক আইন প্রশাসক থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে একটি ডানপন্থি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠিত হয়। তবে সে দল তখন দেশের রাজনীতিতে নাড়া দিতে পারেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT