শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আমঝুপির মাঠে কলার কাঁদি কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুকুট মণি সম্মানে ভূষিত হওয়ায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল মেহেরপুরের রানা ১৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আইপি টিভির রেজিস্ট্রেশন নির্দেশিকা শিঘ্রই: তথ্যমন্ত্রী পুলিশ পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান কাজলের কিছু স্মৃতির কথা মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনাবহুল স্মৃতিগুলো ঐতিহাসিক মুজিবনগরে তুলে ধরা হবে–জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দামুড়হুদায় নবনির্মিত মসজিদের ছাঁদ ঢালাই কজের শুভ উদ্বোধন আলমডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু ‘বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ’

গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতায়, প্রেস কাউন্সিল দিবসে তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা উভয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে আজ দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

প্রেস কাউন্সিল প্যানেল চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও তথ্যসচিব খাজা মিয়া এবং প্রেস কাউন্সিল সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বক্তব্য রাখেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যম যাতে সমাজের দর্পণ হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, ভুল এবং অসত্য সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকে এবং সেটি হলে যাতে প্রতিকার হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই ১৯৭৪ সালে প্রেস কাউন্সিল গঠন করেছিলেন। প্রেস কাউন্সিল তখন থেকেই অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

আজকে প্রেস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী এবং ২০১৭ সালে এ দিনটিকে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয় উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘একটি বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গঠনের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আমরা অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে বিশ্বাসী। সেই বিশ্বাস রেখেই আজকে রাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে এবং গত ১২ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতার সাথে আসে দায়িত্বশীলতা। একজনের স্বাধীনতাকে যেন অপরের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, অপরের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর যেন হস্তক্ষেপ না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’

প্রেস কাউন্সিলের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধন করতে যাচ্ছি, যাতে প্রেস কাউন্সিল বাস্তবতার নিরিখে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তাদেরকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা সুচারুভাবে পালন করতে পারে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং দায়িত্বশীলতা দু’টিই নিশ্চিত করতে পারে, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা একটি বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণে কাজ করছি। আজ দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন দেশে-বিদেশে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারেও আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।’

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রেস কাউন্সিল দিবস উপলক্ষে প্রেস কাউন্সিল সংশ্লিষ্ট সবাইকে এবং সকল গণমাধ্যমকর্মীকে শুভেচ্ছা জানান। আগামী দিনগুলোতে প্রেস কাউন্সিল আরো কার্যকর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তথ্যসচিব খাজা মিয়া বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত প্রেস কাউন্সিলকে দেশ, মানুষ ও গণমাধ্যমের স্বার্থে এগিয়ে নেয়া আমাদের কর্তব্য।’

এসময় সাংবাদিকরা বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য ‘হঠাৎ করেই সরকার পতনের খবর পাওয়া যাবে’ এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একথার দু’ধরণের ব্যাখ্যা হয়। একটি হচ্ছে, তারা ভেতরে ভেতরে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যেভাবে ষড়যন্ত্র করেছিল, আমাদের সরকারের বিরুদ্ধেও ক্রমাগত ১২ বছর ধরে নানা ধরণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। আরেকটি হচ্ছে, তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এখন দৈব দুর্বিপাকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।’

বিএনপি’র সমাবেশ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, ‘কালকের ঘটনার পর বিএনপি নেতাদের বক্তব্য আমি কাগজে এবং টেলিভিশনে দেখেছি। ২ কোটি মানুষের ঢাকা শহরে কয়েকশ’ মানুষের সমাবেশ যদি বিশাল সমাবেশ হয়, তাহলে বিএনপি’র জন্য পৃথিবীটা ছোট হয়ে আসছে এবং বুঝতে হবে, তারা জনগণ থেকে কতটুকু বিচ্ছিন্ন। আর শনিবার তারা খবরে শিরোনাম হতে চেয়ে গন্ডগোল ঘটানোর জন্যই মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে পুলিশের বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও রাস্তা অবরোধ করেছিল। জনগণের সুবিধার্থে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। সমাবেশ তো চট্টগ্রামসহ আরো বিভিন্ন জায়গায় হয়েছে, কোথাও তো এ ধরণের গন্ডগোল হয়নি।’

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা ও প্রেস কাউন্সিলের পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসটি উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, সচিব খাজা মিয়া ও প্রেস কাউন্সিল প্যানেল চেয়ারম্যান এডভোকেট রেজাউর রহমান।

সূত্র: খোলা কাগজ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT