রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মনে প্রাণে ধারণ করি- জুয়েল চেয়ারম্যান কুষ্টিয়ায় সেফটি ট্যাংকের ভিতরে ২ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইফতার বিতরণ মেহেরপুরের আমঝুপি গ্রামে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় গাঁজাসহ আটক ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা ঝিনাইদহে ভারত ফেরত ১৪৭ বাংলাদেশী হোম কোয়ারেন্টাইনে কর্মহীন পরিবারের বাড়ীতে বাড়ীতে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিলেন একদল যুবক চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌরসভায় ভিজিএফ কার্ডধারীদের নগত অর্থ বিতরণ চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জেরে আ’লীগ কর্মী নজরুলকে কুপিয়ে জখম, আটক-১ ঝিনাইদহে বাম জোটের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আগামী জুলাইয়ের মধ‌্যে ঘর পাবে আরও ১ লাখ পরিবার

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমন্বয় সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, ডিসিসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

মুজিববর্ষে ভূমিহীন এবং গৃহহীন মানুষদের ঘর উপহার দিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আগামী জুলাই মাসের মধ‌্যে আরও ১ লাখ পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার। এপ্রিলে ৫০ হাজার এবং জুনে আরও ৫০ হাজার পরিবারকে নতুন ঘর দেওয়ার লক্ষ‌্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার’ হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে সারা দেশের ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমি ও ঘর দেওয়া হয়েছে।একসঙ্গে একক গৃহ ও ব্যারাকে মোট ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি এবং ঘর দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে এটাই প্রথম।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেনসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী আজকে (বৃহস্পতিবার) নির্দেশনা দিয়েছেন যে আরও ৫০ হাজার ঘরের জন্য আজকে ১ হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে। এজন্যই আজ আমরা একত্রিত হয়েছি।

এবার ঘরের নকশায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন বলেন, বাজেটটা আরেকটু বাড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই ঘর প্রতি ২০ হাজার টাকা বাজেট বাড়ানো হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে যেসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল, প্রতিটি ঘরের জন্য পরিবহন খরচসহ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। এবার আরও ২০ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT