শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দামুড়হুদায় গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্র বিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গায় ট্রাকচাপায় ঘুমান্ত হেলপার নিহত গাংনীতে নুপুর নামের গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিমান রয়েছে যে শহরে প্রত্যেকেরই যাতায়াত সব আকাশপথে ফাতেমা হত্যা মামলা তদন্ত পিবিআই’তে হস্তান্তরের দাবী ৩ দিনের মধ্যে বাড়ী ছাড়ার নির্দেশ তালেবানের, প্রতিবাদে রাস্তায় শত শত মানুষ আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হচ্ছে না, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আদালতকে জানাবো: তথ্যমন্ত্রী দামুড়হুদায় ৩০ পাউন্ড কেক কেটে টগর এমপি’র জন্মবার্ষিকী পালন চুয়াডাঙ্গায় খেলতে গিয়ে ২ বন্ধুর ঝগড়ায় অন্যের নাকগলানী, অতঃপর………….

আত্রাইয়ে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে চলছে বোরো চাষ

আত্রাই (নওগাঁ)  থেকে রুহুল আমিন:

মাঘ মাসের শুরু থেকেই শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। দিনভর প্রচন্ড শীত। ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীত উপেক্ষা করে নওগাঁর আত্রাইয়ের কৃষকরা ইরি-বোরো ধান চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কেউ কেউ তীব্র শীত উপেক্ষা করে বীজতলা থেকে চারা তুলে জমা করছে। আবার কেউ পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল বয়ে জমি তৈরি করছে। আবার কোথাও কোথাও কৃষকরা তাদের তৈরিকৃত জমিতে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপন করছে। কোথাও গভীর অথবা অগভীর নলকূপ দিয়ে পুরোদমে চলছে জমিতে সেঁচকাজ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৮টি ইউনিয়নে চলতি বোরো মৌসুমে ১৮হাজার ৮শত ৮৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ১৭ হাজার ৯শত ৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ বছর ধান রোপনের জন্য প্রায় ১১শত হেক্টর জমিতে বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ জমিতে বোরো ধানের রোপন কাজ সম্পন্ন হবে।
সাহাগোলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের কৃষক মো. বাবু বলেন, এ বছর আমি ৩বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করার জন্য হালচাষ করে প্রস্তুত করেছি। এখন বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করে ৩-৪দিনের মধ্যে রোপনের চেষ্টা করবো। একই ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের কৃষক মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, আগাম ধান রোপন করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। ধানের রোগ বালাই কম থাকে। তাই আমি প্রতি বছর আগাম ইরি-বোরো ধানের চারা রোপন করে থাকি।
ভোঁ-পাড়া ইউনিয়নের ধান চাষী মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ভোঁ-পাড়া মাঠে আমার সাড়ে চার বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন আগামী সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে। ধীরো ধেির মাঠের পানি নেমে যাওয়ায় বোরো ধানের জমি প্রস্তুত হওয়ায় এখন এলাকায় কৃষি শ্রমিকের তেমন সংকট নেই।
কালিকাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম, মিলন, বেলাল হোসেন বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে আমরা বোরো ধানের বীজতলা রোপন করি। অন্যান্য এলাকার চাইতে আমাদের এলাকার বীজতলায় আগেই চারা বড় হয়ে যায়। ফলে সবার আগেই আমরা বোরো ধান রোপন করে থাকি। এতে ধানও আগে পাওয়া যায়।
আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে.এম কাউছার বলেন, উপজেলার ভোঁ-পাড়া, সাহাগোলা, কালিকাপুর ও আহসানগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় বোরো ধান রোপন কাজ কিছুদিনের মধ্যে শেষ হবে। আবহাওয়া জনিত কারণে প্রতিবছর বীজতলা কম বেশী নষ্ট হলেও এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলায় তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। এ বছর বোরো ধানের চারার কোনো সংকট বা কাটতি হবে না বলে আমার বিশ্বাস।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT