শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ দাফনের পাঁচমাস পর কবর থেকে উত্তোল করা হলো লাশ দর্শনায় “যুব সাহায্য সংস্থা ব্যাচ-৮৭”র কফি হাউজের উদ্বোধন ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত ১২ জন আসামী গ্রেফতার গাংনীতে ডি বি পুলিশের হাতে দুই পলাতক আসামি আটক গাংনীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করোনা প্রতিরোধে ৬ দফা নির্দেশনা জারি করে প্রজ্ঞাপন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা দর্শনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান “ভালোবাসার বন্ধন দর্শনার করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকায় ভেড়ামারা উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের রোগ মুক্তি কামনায় চুয়াডাঙ্গায় সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে খাবার বিতরণ

পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় চুয়াডাঙ্গায় আবাও এক গৃহবধূ ফিরে পেল সুখের সংসার

ষ্টাফ রিপোর্টার:

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দরকার মানসিকতার পরিবর্তন ও সচেতনতা। এ লক্ষ্যে পুলিশী নিয়মিত কাজের বাহিরেও চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম ঐকান্তিক চেষ্টায় চলছে “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর কার্যক্রমের উপর বিশেষ দেখভাল। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সুরক্ষার জন্য উইমেন সাপোর্ট সেন্টারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সেবা দিয়ে চলছে।
দর্শনা থানধীন যদবপুর গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর মেয়ে নুরনাহার বেগম (৩২)’র সাথে অনুমান ১৪ বছর পূর্বে আন্দুলবাড়ীয়ার মৃত চৈতের ছেলে মিন্টু মিয়া (৩৫), এর সাথে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। তাদের সংসার জীবনে ৩ ছেলে- হোসেন (১১), সাইদ (০৯) ও জিসান (০১) নামের ফুটফুটে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে মিন্টু মিয়া পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন এবং তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। নির্যাতনের মাত্রা এতটাই বেশী ছিল যে, তার স্ত্রী ক’একবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এরই মধ্যে মিন্টু মিয়া পিতৃহীনা নুরনাহারকে তালাক দিয়ে তার মায়ের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয় এবং পরকীয়া প্রেমিকার সাথে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত দ্বিতীয় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়। প্রথম স্ত্রী নুরনাহার ও তার সন্তানদের খোঁজ খবর নেওয়া ও ভরণ পোষণ দেওয়া বন্ধ করে দেয়। সংসারে চলমান বিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গত ০৭ জানুয়ারী খ্রিঃ তারিখে নুরনাহার বেগম (৩২), তার অসহায়ত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার’র কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার উক্ত অভিযোগটির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানীকে দায়িত্ব দেন। “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় মিন্টু মিয়া তার স্ত্রী নুরনাহার বেগমকে পুনরায় নিজ বাড়ীতে ফিরিয়ে নিয়ে সংসার করতে ও সন্তানদের ভরণ পোষণ দিতে সম্মত হয়। ফলে পুলিশ সুপার এর হস্তক্ষেপে নুরনাহার বেগম ফিরে পেল তার সুখের সংসার।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি