শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
দামুড়হুদায় গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্র বিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গায় ট্রাকচাপায় ঘুমান্ত হেলপার নিহত গাংনীতে নুপুর নামের গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিমান রয়েছে যে শহরে প্রত্যেকেরই যাতায়াত সব আকাশপথে ফাতেমা হত্যা মামলা তদন্ত পিবিআই’তে হস্তান্তরের দাবী ৩ দিনের মধ্যে বাড়ী ছাড়ার নির্দেশ তালেবানের, প্রতিবাদে রাস্তায় শত শত মানুষ আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হচ্ছে না, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আদালতকে জানাবো: তথ্যমন্ত্রী দামুড়হুদায় ৩০ পাউন্ড কেক কেটে টগর এমপি’র জন্মবার্ষিকী পালন চুয়াডাঙ্গায় খেলতে গিয়ে ২ বন্ধুর ঝগড়ায় অন্যের নাকগলানী, অতঃপর………….

চুয়াডাঙ্গায় বেসরকারী এ আর হাসপাতালে সিজারিয়ানের পর ক্ষতস্থানে পুজঃ মুমূর্ষু অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি

ষ্টাফ রিপোর্টার:

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ আর হাসপাতালে সিজারিয়ানের পর রোগীর ক্ষতস্থানে ইনফেকশনের পর পুজ বের হতে শুরু করেছে। এ ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় রোগীকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিজারিয়ানের পর বাড়ী ফেরার একদিনের মাথায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এ আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন রোগীর স্বজনেরা। তাদের দাবী এ আর হাসপাতালের চুক্তি মত টাকা পরিশোধ করলেও তাদেরকে নিম্নমানের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বড়গাংনী ইউনিয়নের শালিখা পশ্চিমপাড়ার জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী অন্তঃসত্বা মুক্তা খাতুনকে ৮ জানুয়ারী সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়কের বেসরকারী ক্লিনিক এ আর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন দুপুরে সিজারিয়ানের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সেখানে ৪ দিন থাকার পর ১২ জানুয়ারী সকালে এ আর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ী ফেরেন মুক্তা খাতুন (৩০)। বাড়ী ফেরার কিছুক্ষণের মাথায় ক্ষতস্থানে যন্ত্রণা শুরু হয় এবং পুজ বের হতে থাকে। একই দিন সন্ধায় গাইনী কনসালটেন্ট ডা. আকলিমা খাতুনের পরপমর্শে মুক্তা খাতুনতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে অসুস্থ মুক্তা খাতুন ও তার শয্যাপাশে থাকা তার পরিবারের লোকজন অভিযোগ করে বলেন, চুক্তি অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নেয় এ আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কথা ছিলো ভালো মানের চিকিৎসা দেয়া হবে। কিন্তু তাদেরকে ভালো মানের চিকিৎসা দেয়া হয় নি। প্রতিদিন নাপা ট্যাবলেট আর গ্যাসের সিরাপ দেয়া হতো। ব্যাথা হলে একটা ট্যাবলেট দিতেন না হলে দিতেন না। এভাবে ৪ দিন পর তারা বাড়ী ফিরলেও মুক্তা খাতুনের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে।
অসুস্থ মুক্তা খাতুনের মা কোহিনুর খাতুন ও বোন মালা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ওষুধ চাইলেই এ আর হাসপাতালের লোকজন তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেনত। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যদি সঠিত চিকিৎসা দিতেন তাহলে হয়তো মুক্তা খাতুন সুস্থ থাকতো।
অভিযোগের ব্যপারে জানতে চাইলে এ আর হাসপাতালের পরিচালক ডা. রফিউদ্দিন রফিক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অশ্বিকার করে বলেন, আমরা মুক্তা খাতুনের ভালোমানের সেবা দিয়েছি। আমরা তাকে সবথেকে ভালো ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা দিয়েছি। তিনি বলেন, এধরনের অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।
এদিকে, ক্লিনিক মালিকের বক্তব্য নেয়ার পরপরই রোগীর এক স্বজন এ প্রতিবেদকের মোবাইল ফোনে কল করে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য বলেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের সাথে ক্লিনিক মালিকের আপস হয়ে গেছে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ মুক্তা খাতুনের পরবর্তী চিকিৎসার সমস্ত খরচ বহন করবে বলে জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT