বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে

১০ বছর আগের সাংবাদিকতা আর ২০২১ সালের সাংবাদিকতা এক নয়।এখন তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা,ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৯,৩০,৩১,৩২ ধারা,দণ্ডবিধি আইনের ৩৮৫ ধারায় মামলা দিয়ে সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা চলছে।অথচ সাংবাদিকরা এখনও ১০/২০ বছর আগের সাংবাদিকতায় ডুবে আছে।যেমনি সাংবাদিকদের দমন করার জন্য আইন আছে তেমন সাংবাদিকদের পাল্টা দেওয়ার আইনও আছে যেমন,তথ্য অধিকার আইন ২০০৯,জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান)আইন ২০১১,মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯,দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪,প্রেস কাউন্সিল আইন ১৯৭৪।এছাড়াও সরকারী চাকুরী আইন ২০১৮,সরকারী কর্মচারী (আচরন) বিধিমালা ১৯৭৯ এবং সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খললা ও আপীল) বিধিমালা ২০১৮ তে এমন কিছু বর্ননা আছে যা সাংবাদিকরা কৌলগত ভাবে প্রয়োগ করেও মিথ্যা মামলা,হামলা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে আইনগতসহায়তাসহ সুরক্ষা পেতে পারে।আইনে সাংবাদিকদের অনেক সুযোগ সুবিধা থাকতেও তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারছেনা এর দায় সাংবাদিকদের।কারন আইনের কৌশলগত প্রয়োগ করতে আমরা ব্যর্থ। এজন্য সাংবাদিকদের বর্তমানে আইনের কৌশলগত প্রয়োগে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে শিখতে হবে।আর তার মধ্য দিয়েই নিজের অধিকার আদায় করতে হবে।তা না হলে সাংবাদিকদের দমন করার জন্য একের পর এক হামলা, মামলা হতেই থাকবে।কোনো সভা, সমাবেশ,মিটিং,র্যালী,আলোচনা,সভা,মানববন্ধন,প্রতিবাদ সভা,স্মারকলিপিতে কাজ হবেনা। সকল সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এবং আইনের কৌশলগত প্রয়োগ বিষয়ে কর্মশালার প্রয়োজন।

ইয়াসির আরাফাত মিলন

সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি