সোমবার, ২১ Jun ২০২১, ০১:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
এবার ‘বাড়ীর কাজে’ শিক্ষার্থী মূল্যায়ন, বাতিল হচ্ছে পিইসি পরীক্ষা: বাতিল হতে পারে ইইসি, জেএসসি ও জেডিসিও ‘অন্যের চাকরির উৎস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে’ ভূমিধস বিজয়ে ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসি ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ হত্যা করে ৯৯৯ নম্বরে ফোন, ‘বাবা, মা, বোনকে খুন করেছি, আইস্যা নিয়া যান’ চুয়াডাঙ্গায় করোনায় আক্রান্ত আরও ৩ জনের মৃত্যু: নতুন সংক্রমণ ৬৮ চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকা ও আলুকদিয়া ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষণা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকালে বাংলাদেশী ২৫ নাগরিক আটক সলঙ্গায় ২০০ মিটার নতুন পাকা রাস্তা পেয়ে আনন্দিত এলাকাবাসী নবীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মুকুলের পরিবারের আর্ত্মনাদ

‘ঝরে পড়া শতকরা ২০ভাগ শিশুকে খুঁজে বের করে এনে পাঠদান করাতে হবে’ জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার

ষ্টাফ রিপোর্টার :

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেছেন‘ ঝরে পড়া শতকরা ২০ ভাগ শিশুকে খুঁজে বের করে এনে পাঠদান করাতে হবে। দ্বিতীয় বার সুযোগ দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। প্রাইমারীর শিক্ষার্থী যেন না হয়। সরকারের মহৎ উদ্দেশ্যে যেন সফল হয়। সোনার মানুষ ছাড়া সোনার বাংলা হবে না। তাহলেই ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।’ গতকাল বুধবার বেলা ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) বাস্তবায়ন বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার এসব কথা বলেছেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় (দুটি পৌর এলাকা বাদে) ১ জুলাই-২০১৮ হতে ৩০ জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত ঝরে পড়া ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের খুঁজে বের করে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করানোই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যে। চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলায় এজন্য ৭০টি করে মোট ১৪০টি কেন্দ্রে পাঠদান করানো হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩০ জন করে শিক্ষার্থী ও একজন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এইচএসসি (পাশ), সপ্তাহের ৬ দিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত অথবা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাঠাদান করানো হবে। এখানকার শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই, খাতা, পেন্সিল, ব্যাগ, খেলাধুলার সামগ্রী, স্কুল ড্রেস, আইডি কার্ড, প্রতি মাসে ১২০ টাকা করে ভাতা দেয়া হবে। শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা শিক্ষক হতে হবে। শিক্ষকদের বেতন হবে ৫ হাজার টাকা। ঘরভাড়া ১৫০০ টাকা এবং ২৪০ বর্গফুটের ঘর, পানির ব্যবস্থা ও টয়লেট ব্যবস্থা থাকতে হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু তারেক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দা আতিকা নাহার এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন। প্রকল্প বিষয়ক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো’র সহকারী পরিচালক শেখ সুরুজ্জামান। আলোচকদের মধ্যে প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, প্রফেসর কামরুজ্জামান, আদর্শ মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ রেজাউল করিম ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার সুরাইয়া মমতাজ।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার আরো বলেন, প্রাইমারী থেকে শতকরা ১৮ দশমিক ৬ ভাগ শিশু এবং শতকরা ২ ভাগ শিশু প্রাইমারী থেকে বাইরে থেকে যাচ্ছে। এধরণের শিশুদের খুঁজে বের করে নিয়ে আসতে হবে। জাতির পিতার সোনার বাংলায় দারিদ্র হবে সুদূর অতীতের ঘটনা।
ঢাকা শ্বিবিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দা আতিকা নাহার বলেন, ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা ১ম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাইমারী পড়াশুনা করে। কিন্ত, এই কর্মসূচিতে ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের লেভাপড়া করানো হবে। তারপর হাইস্কুলে যাবে। শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে নিয়ে আনা। ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে গড়তে চায়, যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT