রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মনে প্রাণে ধারণ করি- জুয়েল চেয়ারম্যান কুষ্টিয়ায় সেফটি ট্যাংকের ভিতরে ২ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ইফতার বিতরণ মেহেরপুরের আমঝুপি গ্রামে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় গাঁজাসহ আটক ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা ঝিনাইদহে ভারত ফেরত ১৪৭ বাংলাদেশী হোম কোয়ারেন্টাইনে কর্মহীন পরিবারের বাড়ীতে বাড়ীতে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিলেন একদল যুবক চুয়াডাঙ্গার দর্শনা পৌরসভায় ভিজিএফ কার্ডধারীদের নগত অর্থ বিতরণ চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জেরে আ’লীগ কর্মী নজরুলকে কুপিয়ে জখম, আটক-১ ঝিনাইদহে বাম জোটের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কেরুজ চিনিকলের সম্প্রসারণের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, উদ্ধোর্তন কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন

দর্শনা থেকে, মোস্তফা কামাল শ্রাবন:

কেরু চিনিকলের সম্প্রসারণ কাজে বছরে যে বাজেট দেয়া হয় তার সিংহভাগ তছরুপ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। যেমন চাষী প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন আখ ক্রয় কেন্দ্রের ইক্ষু পরিবহনের সুবিধার্তে মাঠের বিভিন্ন রাস্তায় মেরামত কাজ, ইক্ষু ক্রয় কেন্দ্রে অস্থায়ী কাঁচা ঘর নির্মানসহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দকৃত টাকার সিংহভাগ টাকা কর্তাবাবুদের পকটে যায় এমও অভিযোগ উঠছে।

সাবজোন প্রধান কিংবা সিআইসিদের নামে এসব টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে বরাদ্দকৃত টাকার অর্ধেক টাকা সংশ্লিষ্ট বিভাগের বড় কর্তারা দাবী করেন। দাবী মোতাবেক টাকা দেয়া না হলে সংশ্লিষ্ট ছোট কর্মকর্তারা তাদের রোষানলে পড়েন। প্রতি বছরই সম্প্রসারন কাজে বাজেটের টাকার সিংহভাগ টাকা এভাবেই হাতিয়ে নেন উর্দ্ধতন কর্তাবাবুরা। ২০২০-২১ মাড়াই মৌশুমে আখ ক্রয় কেন্দ্রে রাস্তা মেরামতের জন্য মিলগেট পূর্ব ও পশ্চিম সাবজোনে যথাক্রমে ৬২০০০/ ও ৫২০০০/ টাকা জীবননগর সাবজোনে ৫২০০০/টাকা, চুয়াডাংগা উত্তর ও দক্ষিন সাবজোনে যথাক্রমে ৮০০০/ ও ৭০০০/টাকা এবং দামুড়হুদা সাবজোনে ১৫০০০/ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সাবজোন প্রধানদের নামে। আর এ টাকার অর্ধেকটাই সংশ্লিষ্ট বিভাগের জনৈক কর্মকর্তাকে দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ব্যতিক্রম ঘটিয়েছে মিলসগেট পূর্ব সাবজোন প্রধান সাজ্জাদ হোসেন। তিনি নিজ হাতে রাস্তা মেরামতের কাজ করে লেবার পেমেন্ট দিচ্ছেন। আর এতেই অখুশি সেই কর্তা বাবু। এমন কি সাজ্জাদের বিরুদ্ধে যে কোন সমস্যা সৃষ্টি করার চক্রান্ত করছে বলে জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, এদিকে আখ ক্রয় কেন্দ্রে অস্থায়ী ঘর নির্মানের জন্য ২৭ টি কেন্দ্রের অনুকুলে ২২৪৭১৬/ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের সিআইসির নিকট থেকে ১০০০/ টাকা করে দাবী জানিয়েছেন ওই কর্তা। ইতিমধ্যে কেউ কেউ দাবী পূরণও করেছেন। যারা দেন নি তাদের পরিশোধের জন্য রিমান্ডার দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে এসব লেনদেন চলছে খুব গোপনীয়তা রক্ষা করে। তাছাড়া বড় কর্তাদের ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে নারাজ। প্রতি বছরই সম্প্রসারণ কাজের বাজেটের টাকা এভাবেই লোপাট হয়। এ যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কেউ কেউ দুর্ণীতি পরায়নের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের হাঙড় নামে আখ্যায়িত করেছেন। চিনিকল থেকে হাঙরবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে ৬ টি চিনিকলের মত বাকি চিনিকলগুলোও মুখ থুবড়ে পড়বে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতনমহল।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT