বৃহস্পতিবার, ১৭ Jun ২০২১, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে ঝিনাইদহের ৬টি পৌর এলাকায় বিশেষ বিধি নিষেধ জারী সাংবাদিক জনির মুক্তির দাবিতে মেহেরপুরে মানববন্ধন আজ প্রিয় ঋতু বর্ষার প্রথম দিন চুয়াডাঙ্গায় স্বাস্থ্য সচেতনতার বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে কোলড্রিংস ভেবে বিষপানে শিশুর মৃত্যু মেহেরপুরের ৩টি গ্রাম লকডাউন ঘোষণা, রাজশাহীগামী বিআরটিসি বাস বন্ধ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১৪দিনের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৫০ জনের করোনা শনাক্ত চুয়াডাঙ্গায় ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে বিপাকে প্রতিবন্ধী পিতা, চান আর্থিক সহায়তা

মানবাধিকার সুরক্ষায় ঘুরে দাঁড়াব আমরা সবাই

ঘুরে দাঁড়াব আবার, সবার জন্য মানবাধিকার (Recover Better, Stand Up for Human Rights) এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এবারও বাংলাদেশে পালিত হয় মানবাধিকার দিবস। মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জাতিসংঘের আহ্বানে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর এ দিবসটি পালন করা হয়। এ বছর কভিড-১৯-এর বৈশ্বিক সংকট বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়। কভিড-১৯ মহামারির ফলে বিশ্বে তৈরি হয়েছে এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। দেশে দেশে চলছে লকডাউন। সবকিছু বন্ধ করে চলছে এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার নিরন্তর চেষ্টা। এরই মধ্যে মহামারি কভিডে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কভিড সংক্রমণের চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক সংকট কর্মহীনতা মানুষকে এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে ঠেলে দিয়েছে। এর থেকে দ্রুত পরিত্রাণের কোনো পথ নেই।

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। মানবাধিকারের অন্তর্নিহিত বিষয় হচ্ছে ‘মানুষ’ ও ‘অধিকার’। মানবাধিকার বলতে মানুষ যা নিয়ে জš§ গ্রহণ করে এবং যা মানুষকে বিকশিত করতে সাহায্য করে তা-ই মানবাধিকার। এটি হরণ করলে মানুষ আর মানুষ থাকে না। জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের মুখবন্ধে মানব পরিবারের সব সদস্যের সমান ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার ও সহজাত মর্যাদার স্বীকৃতিই হচ্ছে বিশ্বে শান্তি, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘোষণাপত্রে মোট ৩০টি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধারাগুলো সব সদস্য রাষ্ট্র ও তাদের অধীনস্থ ভূখণ্ডের জাতিগুলোর উত্তরোত্তর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়াসের মাধ্যমে এই অধিকার ও স্বাধীনতার সর্বজনীন ও কার্যকর স্বীকৃতি আদায় এবং যথাযথ পালন নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে।

মানবাধিকার হলো সবার অধিকার, কোনো শ্রেণি বা দলের নয়। সব মানুষের সমান অধিকার, কারও কম বা বেশি নয়। মানবাধিকার কোনো বিশেষ মর্যাদা বা সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল নয়। অকারণে এ অধিকার খর্ব করা যায় না।

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রেও মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার করা হয়েছে। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন করার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের প্রতি সম্মান জানিয়ে মানবাধিকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। আমাদের সংবিধানের তৃতীয় বিভাগে মৌলিক অধিকারের (২৬-৪৭ অনুচ্ছেদ) বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এগুলো জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামজস্যপূর্ণ। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে একটি মানবিক ও কল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। কভিড-১৯-এর কারণে লকডাউনের সময়ও মানবাধিকার কমিশন অনলাইনে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মুজিববর্ষের অঙ্গীকার: সুরক্ষিত হবে মানবাধিকার’ এই প্রতিপাদ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার’ শিরোনামে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা) নবম ও দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি ও সমমানের ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন/সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। করোনা দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জেলা প্রশাসক কর্তৃক নির্দিষ্ট ইমেইল বা অন্য কোনো মাধ্যমে রচনা জমা দিয়েছে। নবম ও দশম (সমমানের) শ্রেণির প্রতিযোগী সমন্বয়ে ‘ক’ গ্রুপ সর্বোচ্চ ৭০০ শব্দ এবং একাদশ ও দ্বাদশ (সমমানের) প্রতিযোগী সমন্বয়ে ‘খ’ গ্রুপ সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ শব্দের রচনা নির্ধারিত ছিল। প্রাপ্ত সব রচনা জেলা বাছাই কমিটি বাছাই করে দুই গ্রুপ থেকে ১০টি করে মোট ২০টি রচনা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে পাঠিয়েছে। কমিশনের বিশেষজ্ঞ প্যানেল ৬৪ জেলা থেকে প্রাপ্ত মোট এক হাজার ২৮০টি রচনার মধ্য থেকে প্রথমে প্রতি গ্রুপ থেকে ৫০টি করে মোট ১০০টি বাছাই করেছে। এ ১০০টি বাছাইকৃত রচনা নিয়ে কমিশন ‘নতুন প্রজšে§র মননে বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার’ শিরোনামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করবে। এছাড়া বাছাইকৃত ১০০টি রচনার প্রতিযোগীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার বিষয়ে অনলাইনের মাধ্যমে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উভয় গ্রুপ থেকে সেরা ১০ জন করে মোট ২০ জনকে নির্বাচন করা হবে। মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিতব্য অনুষ্ঠানে প্রতি বিভাগ থেকে তিনটি সেরা উপজেলা ও একটি সেরা জেলাকে সম্মাননা প্রদান করা হবে। এছাড়া সেরা ২০ প্রতিযোগীকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ও সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সব প্রতিযোগীকে সার্টিফিকেট ও মানবাধিকার কমিশনের লোগো-সংবলিত কলম দেওয়া হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ যার মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা উপকৃত হয়েছেন এবং বিষয়গুলো সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। আসামির নাম, বাবার নামের ও ঠিকানার একাংশের মিল থাকায় বাগেরহাটের সালাম ঢালী বিনা অপরাধে জেলে থাকার বিষয়টি জানার পর মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাকে মুক্ত করা হয়। রাজধানীর মিরপুরের শিশু গৃহকর্মী খাদিজাকে নির্যাতনের বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে বিচার পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এজন্য মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ায় দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সাময়িক সাহায্য হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮ সালে চিকিৎসাধীন রওশন আরার খারাপ কিডনির সঙ্গে ভালো কিডনিটিও কেটে ফেলে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর ছেলে এর বিচার চেয়ে বিভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করেছেন। বিষয়টি জানার পর মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপে সংশ্লিষ্ট থানা মামলা নিয়েছে। কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদের বিষয়টি আমলে নিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ করতে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয়কে পত্র দেয়া হয়েছে। ধর্ষণসহ নির্যাতনের শিকার নারীদের পাশে মানবাধিকার কমিশন সব সময় আছে। নারীদের মানবাধিকার রক্ষায় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তাসহ নানারকম পদক্ষেপ

গ্রহণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে। লালমনিরহাটে তথাকথিত ধর্ম অবমাননার জন্য এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে এবং পুড়িয়ে মারার ঘটনা তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশ কভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির একটি সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে লাখ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল বিলম্ব না করে এ ধরনের দুর্যোগের সময় জাতির সামনে করোনা মোকাবিলায় সর্বমোট বিভিন্ন প্যাকেজে এক লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশাল প্রণোদনা ঘোষণা করেন এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।

ভাইরাসজনিত কারণে কর্মহীনতা ও আয়ের সুযোগ হ্রাসের কবল থেকে দেশের অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতা বৃদ্ধি করা হয়। এর মধ্যে সারা দেশে নির্বাচিত ৫০ লাখ উপকারভোগী পরিবারের প্রত্যেককে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। অতি দরিদ্র একশটি উপজেলার বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলার ভাতা শতভাগে উন্নীত করা হয়। মানবিক সহায়তা হিসেবে বিনা মূল্যে খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি গৃহহীন মানুষের জন্য গৃহ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হয়েছে। দেশে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ঈদুল ফিতরের উপহার হিসেবে জনপ্রতি দুই হাজার ৫০০ টাকা করে অনুদান দেয়া হয়েছে। দেশের নন-এমপিও, কারিগরি মাদরাসা ও ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫১ হাজারেরও বেশি শিক্ষককে পাঁচ হাজার টাকা করে এবং ১০ হাজারেরও বেশি কর্মচারীকে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বিনা মূল্যে কভিডের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে সব সেক্টরের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কভিড মোকাবিলায় ফ্রন্টলাইনার হিসেবে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও সরকারের দায়িত্বশীল বিভিন্ন দপ্তর দিনরাত নিরলস কাজ করছে।

পৃথিবীর অত্যাচারিত ও অতি নিপীড়িত একটি জাতিসত্তার নাম রোহিঙ্গা। মিয়ানমার সরকারের অত্যাচারের (জাতিগত নিধন) ফলে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণভয়ে বাংলাদেশ পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশ আশ্রয় নিতে গিয়ে শত শত রোহিঙ্গা নারী ও শিশু মারা যায়। এসব অসহায় উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশ মানবতার এক মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় এসব উদ্বাস্তুর পাশে দাঁড়ান। বিশ্বের বিবেকবান মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যানেল ফোর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ অভিধায় ভূষিত করে। এছাড়া ২০১৬ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বমানবতার বিবেক হিসেবে উল্লেখ করেন। আরেক নোবেলজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী বিশ্বমানবতার আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উল্লেখ করেন।

আইনে শাস্তিযোগ্য সব কর্মকাণ্ডই অপরাধ। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিচার ব্যবস্থায় যাদের ভূমিকা রয়েছে, তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় না। এজন্য দায়িত্বশীল সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। দেশকে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। মানুষকে আরও মানবিক হতে হবে। মানুষের মধ্যে মানবিকতা বোধ জাগ্রত হলে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা সার্থক হবে।

সূত্র: শেয়ার বিজ নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT