শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
ঝড়-বৃষ্টিতে ম্লান হতে পারে ঈদ আনন্দ ঈদ উদযাপন যেন সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ না হয়: প্রধানমন্ত্রী মেহেরপুরের গাংনীতে মাংসের দােকান উচ্ছেদ করলেন মেয়র আহম্মেদ আলী ফিলিস্তিনিদের উপর হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন গাংনীতে দােকানদারের হামলায় বাবা-মেয়ে আহত ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বজ্রপাতে গৃহবধু শেফালীর মৃত্যু কুষ্টিয়া মিরপুর থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার খাইরুল আলম মুজিবনগরে সিডিপি‘র স্পান্সার শিশুদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী উপহার প্রদান গাংনীতে খাদ্য অনপোযুগী পঁচা চাল নিয়ে চালবাজি, মােটরশ্রমিকদের তােপের মুখে চাল বিতরণ বন্ধ চুয়াডাঙ্গায় ২১ বীর মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান

আত্রাইয়ে আবাদী জমিতে কচুরিপানা কৃষক দিশেহারা

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর আত্রাইয়ে বন্যায় ভেসে আসা কচুরিপানাতে আবাদি জমি ভরে গেছে। এসব কচুরিপানা পরিস্কার করতে কৃষকরা হিমশিম খাচ্ছে। আসন্ন বোরো মৌসুমে ধানচাষ নিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
জানা যায়, এবারে আত্রাইয়ে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কৃষকের সকল স্বপ্ন ম্লান হয়ে যায়। একাধিকবার তারা আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়েও ব্যর্থ হন। পরপর দু’বারের বন্যায় তাদের সকল স্বপ্ন তছনছ হয়ে যায়। উপরোন্ত এ বন্যায় নদীর বিভিন্ন বাঁধের ভাঙন দিয়ে প্রচুর পরিমান কচুরিপানা প্রবেশ করে মাঠে। মাঠে এসব কচুরিপানা প্রবেশের পর তা আর বের হয়নি। ফলে এ কচুরিপানাগুলো আবদি জমিতে আটকা পড়ে যায়। উপজেলার কাঁন্দওলমা, বাঁকিওলমা, বিপ্রবোয়ালিয়া, পবনডাঙ্গা, নবাবেরতাম্বু, খনজোর, মধুগুড়নই, ভোঁপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা যায় ওই মাঠগুলোতে প্রচুর পরিমান কচুরিপানা আবাদি জমিতে আটকে পড়েছে। ফলে এসব কচুরিপানা পরিষ্কার করে জমিগুলো বোরো চাষের উপযোগী করতে কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কাঁন্দওলমা গ্রামের কৃষক ওহিদুর রহমান বলেন, আমাদের অনেক জমিতে কচুরিপানা আটকে পড়েছে। বিশেষ করে যে জমিগুলোতে আমরা বোরো বীজতলা তৈরি করতাম এ জমিগুলোও এখন কচুরিপানার নিচে পড়ে রয়েছে। এ কচুরিপানা পরিষ্কার করতে আমাদের অতিরিক্ত অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
মধুগুড়নই গ্রামের কৃষক মো. হাসান বলেন, আমাদের মাঠে যেমন কচুরিপানা, তেমনি ঘাস জন্মেছে। কচুরিপানা ও ঘাস মারা ওষুধ দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না। এখন বোরো চাষের উপযোগী করতে আমাদের প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। এভাবে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে আমরা আবাদ করি। কিন্তু সময়মত আমাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় আমরা লোকসানের শিকার হই। উপজেলা কৃষি অফিসার কেএম কাউছার হোসেন বলেন, আত্রাই বোরো ধানের জন্য বিখ্যাত একটি এলাকা। এ উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়। এবারে বন্যায় কৃষকের অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে। সেই সাথে আবাদি জমিগুলোতে কচুরিপানা আটকে থাকায় আরও তাদের জন্য আর্থিক ক্ষতিকর। তবে তাদের সরকারীভাবে কিছুটা সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রণোদনা সহায়তার আওতায় নেয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2020 DailyAmaderChuadanga.com

 www.bdallbanglanewspaper.com

Design & Developed BY Creative Zoone IT